• আজ সোমবার, ১০ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ২৪ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করবো, যা আছে কপালে: তৈমূর

toimur n234
❏ শনিবার, জানুয়ারী ১৫, ২০২২ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর, নারায়ণগঞ্জ- নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনকে যুদ্ধের ময়দান বলে মন্তব্য করেছেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। তৈমূর আলম বলেছেন, ‘যুদ্ধের ময়দানে আছি, যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করবো, যা আছে কপালে তাই হবে।’

শনিবার দুপুরে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। এসময় শুক্রবার রাতে তার ব্যক্তিগত সহকারীসহ ছাত্রদল ও যুবদলের দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়ে তাদের মুক্তি দাবিও করেন তিনি।

তৈমূর বলেন, লক্ষাধিক ভোটে পাশ করবো, মরে গেলেও মাঠ ছাড়বো না। আমার লোকজন গ্রেপ্তার হচ্ছে। আমার গলায় আপনি ফাঁ’সি লাগিয়ে দিবেন আমি কথা বলতে পারবো না সেটা তো হবে না। এটা নৈতিক দায়িত্ব। মানুষের ওপর যত অত্যাচার হয় ভোটাররা তত ঐক্যবদ্ধ হয়।

সেখানে উপস্থিত হাজেরা বেগমকে দেখিয়ে তিনি বলেন, আপনাদের সামনে হাজেরা বেগম উপস্থিত আছেন। তার স্বামী মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক। তিনি আমার বাড়িতে রাত দুইটা পর্যন্ত ছিলেন। তাকেও ঈদগাহের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাঠানটুলি এলাকার একটা ছেলে আহসান সেই এলাকায় আমার নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করেছিল। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমি এখনও তার কোন খোঁজ পাইনি।

তিনি আরও বলেন, এখানে অনেক লোক আছেন যারা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন। এদের মধ্যে এমন কোন লোক নেই যাদের বাড়িতে দুই থেকে তিনবার লোক যায়নি। প্রধানমন্ত্রীকে বলতে চাই আপনি আমাদের ওপর এত অত্যাচার করছেন কেন? প্রশাসনের এহেন কাজে আপনার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পাপনও কাল এখানে ছিল। তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এভাবে আমার লোকদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এটাই কী সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রক্রিয়া?

পুলিশ অত্যাচার করছে অভিযোগ করে তৈমুর বলেন, এখানে যারা আছেন তাদের জিজ্ঞেস করে দেখেন পুলিশ কীভাবে অত্যাচার করছে? একটি অডিও ভাইরাল হয়েছে। ভোটারদের নৌকায় ভোট দেয়ার জন্য প্রেশার দেয়া হচ্ছে। নয়ত তাদের ভোট দিয়ে দেয়া হবে।

তিনি বলেন, এবারের নির্বিাচনের কোনো কেন্দ্রকেই আমি ঝুঁকি মনে করি না। নগরীর বাসিন্দাদের উপর আমার আস্থা রয়েছে বলেই কোনো কেন্দ্রকেই আমি ঝুকিপূর্ণ মনে করি না। তবে আমি ঝুঁকি হিসেবে পুলিশ, প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনকেই মনে করি। তারা নিরপেক্ষ থাকলে কোনো কিছুই ঝুঁকিপূর্ণ না।