নারায়ণগঞ্জে আইভীর হ্যাটট্রিক

Narayangonj news
❏ রবিবার, জানুয়ারী ১৬, ২০২২ ফিচার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সময়ের কণ্ঠস্বর: নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী।

তিনি ৬৯ হাজার ১০২ ভোটের ব্যবধানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাতি মার্কার তৈমূর আলম খন্দকারকে পরাজিত করেছেন। ফলে টানা তৃতীয়বারের মতো নারায়ণগঞ্জ সিটির মেয়র হতে চলেছেন তিনি।

আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নির্বাচনি কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে ১৯২টি কেন্দ্রে তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৩টি ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৭১টি ভোট।

গত বছরের ৩০ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ১৪৮ জন ও সংরক্ষিত নয়টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে লড়েন ৩৪ জন প্রার্থী।

নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আইভী ও তৈমূর আলম ছাড়া মেয়র পদে নাসিক নির্বাচনে লড়েন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এ বি এম সিরাজুল মামুন (দেয়ালঘড়ি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাছুম বিল্লাহ (হাতপাখা), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির রাশেদ ফেরদৌস (হাতঘড়ি), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. জসিম উদ্দিন (বটগাছ) ও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী কামরুল ইসলাম (ঘোড়া)।

এর আগে ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে আইভী তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেনকে ৭৪ হাজার ভোটে হারান। তারও আগে প্রথমবার ২০১১ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামীম ওসমানকে ১ লাখ ভোটে হারান তিনি।

বহুল আলোচিত এবারের নির্বাচনে রোববার সকাল ৮টা থেকে ভোট শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ভোটে সহিংসতার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে এই নির্বাচনকে ‘সর্বোত্তম’ সিটি নির্বাচন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে রোববার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘গত ৫ বছরে যতগুলো সিটি করপোরেশন নির্বাচন হয়েছে, আমার বিবেচনায় প্রথম কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও সর্বশেষ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন সর্বোত্তম।’

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটি ছিল আমার অনেক প্রত্যাশার স্থান। কারণ, আমি ইতিপূর্বে বলেছি, যার শেষ ভালো, তার সব ভালো। নাসিক নির্বাচনে আমি ৪টি কেন্দ্রের ১৪টি বুথ পরিদর্শন করেছি। এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য কোনো সংঘর্ষ ও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেনি।