• আজ সোমবার, ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ ৷ ২৩ মে, ২০২২ ৷

সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে : সেনাপ্রধান

sena 23
❏ বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২০, ২০২২ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। এর বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশনে অংশগ্রহণ শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, সামরিক বাহিনীর দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অসামরিক প্রশাসনের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি নিজেই এখানে এসেছি এটা ইন্ডিকেট করে আমরা এটাকে গুরুত্ব দিচ্ছি।

তিনি বলেন, আমরা সোনার বাংলা গড়ার যে অভিষ্ঠ লক্ষ্যে এগিয়েছি, সেখানে সামরিক-অসামরিক প্রশাসন একসঙ্গে কাজ না করলে আমরা অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো না।

জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, ‘আমরা ক্ষেত্রগুলো আলোচনা করলাম। আমরা সবাই একমত হয়েছি যে, এটার (যোগাযোগ বৃদ্ধি) কোনো বিকল্প নেই। আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বর্তমানে আমাদের অত্যন্ত সুসম্পর্ক রয়েছে। অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে আমরা এটাকে ক্যাপিটালাইজড করে আরও এগিয়ে যেতে চাই।’

ডিসিদের কাছ থেকে কোনো প্রস্তাব এসেছে কি না জানতে চাইলে শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘স্পেসিফিক প্রস্তাব বলতে সে রকম কোনো প্রস্তাব নেই। কিন্তু আমাদের যেসব সিভিল মিলিটারি রিলেশন বাড়ানোর ক্ষেত্রগুলো আছে, সেগুলো আমরা আলোচনা করেছি। কিছু কিছু প্রস্তাব আছে যেগুলো এখনই বললে প্রিম্যাচুরড হয়ে যাবে। আমরা আরও একটু আলোচনা করে দেখব, তারপর ওটাকে বাস্তবায়ন করা যাবে।’

আলোচনায় কোন কোন বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন জানতে চাইলে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমার তরফ থেকে যে কোনো কাজ একসঙ্গে করার জন্য একটি পরিবেশ খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভালো পরিবেশের জন্য ভালো সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। আমি ফোকাস করেছি যেন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি হয়। যত কমিউনিকেশন হবে, তত কমিউনিকেশন গ্যাপ কম হবে। কমিউনিকেশন গ্যাপ যত কম হবে, তত আমাদের কাজ করার সুবিধা হবে। এই কথাটা অন্যান্য বক্তব্যের সঙ্গে বলেছি।’

নির্বাচনি মাঠে থাকার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা যে ক্ষেত্রগুলো নিয়ে কাজ করি তার মধ্যে প্রথম আমাদের দায়িত্ব হলো দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি ইন এইড সিভিল পাওয়ারে আমরা নেশন বিল্ডিং একটিভিটিজ করি। ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট করি।

‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারে আমরা ল ইনফোর্সমেন্টে সহায়তা করি। আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামেও একটি বিশেষ ধরনের দায়িত্ব পালন করছি। আমরা এফডিএমএন ক্যাম্পে কক্সবাজারে দায়িত্ব পালন করছি। আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের কনস্টিটিউশনের মধ্যে থেকেই আমরা বিদেশেও দায়িত্ব পালন করছি।’