🕓 সংবাদ শিরোনাম

স্কুলের শ্রেণিকক্ষ প্রধান শিক্ষকের ধানের গোডাউনটসে জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, দুদলেই জোড়া পরিবর্তনশরীরে ক্যান্সার নিয়েও ১০ বছর মানুষকে বিনোদন দিয়ে গেছেন ‘ভাদাইমা’প্রতিমাসে দেড় লাখ মানুষকে খাওয়ান অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ!ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ স্থির করবে ইউক্রেনীয়রা: পার্লামেন্টে আন্দ্রেজ দুদাএকের বেশি বিয়ে নয়, ফতোয়া তালিবান প্রধানেরমহাকাশ থেকে রহস্যময় ভুল তথ্য পাঠাচ্ছে নাসার যান!দুই দিনের সফরে ঢাকায় আইসিসি’র চেয়ারম্যানদক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করে ১৯ হাজার ২৯৮ জন করোনায় আক্রান্তমাদারীপুরের কালকিনির ইউএনও-ওসিকে প্রত্যাহারের নির্দেশ ইসির

  • আজ সোমবার, ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ ৷ ২৩ মে, ২০২২ ৷

সুনামগঞ্জে পর্নোগ্রাফি মামলায় অধ্যক্ষ ও চেয়ারম্যান কারাগারে

adalot
❏ মঙ্গলবার, জানুয়ারী ২৫, ২০২২ দেশের খবর, সিলেট

জাহাঙ্গীর আলম ভুঁইয়া, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি- সুনামগঞ্জে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন মামলায় জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিনের জন্য আবেদন করলে জামিন নামঞ্জুর করে অধ্যক্ষ ও ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে জেল হাজতে পাঠিয়িছে আদালত।

তারা হলেন- জেলার দিরাই উপজেলার বিবিয়ানা কলেজের অধ্যক্ষ নৃপেন্দ্র চন্দ্র দাস ও তার ছোট ভাই হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বড়ভাকৈর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রঙ্গলাল দাস।

সোমবার দুপুরে জেলার দিরাই আমলগ্রহণকারী বিচারক চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবদুর রহিম ওই দুই আসামির জেলহাজতের পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, জেলার দিরাই উপজেলার বিবিয়ানা কলেজের অধ্যক্ষ নৃপেন্দ্র চন্দ্র দাসের সাথে মামলার বাদী ওই নারীর প্রেমের সম্পর্ক থাকাকালীন গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা অন্তরঙ্গ মূহূর্তের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করেন। এই ঘটনার পর ২০২০ সালের ১৫ অক্টোবর দুই ভাইকে আসামি করে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন মামলায় দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন ওই নারী।

পরবর্তীতে উচ্চ আদলত থেকে জামিন নেন মামলার দুই আসামি। জামিনের মেয়াদান্তে সোমবার দুপুরে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদলতে হাজির হলে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মোঃ মাসুম আলম পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন মামলায় দুই ভাইকে আদালত কর্তৃক জেলহাজতে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরও জানান, ২০২০ সালের ১৫ অক্টোবর দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন মামলটি দায়ের করেন দিরাই উপজেলার একজন নারী।