🕓 সংবাদ শিরোনাম

স্কুলের শ্রেণিকক্ষ প্রধান শিক্ষকের ধানের গোডাউনটসে জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, দুদলেই জোড়া পরিবর্তনশরীরে ক্যান্সার নিয়েও ১০ বছর মানুষকে বিনোদন দিয়ে গেছেন ‘ভাদাইমা’প্রতিমাসে দেড় লাখ মানুষকে খাওয়ান অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ!ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ স্থির করবে ইউক্রেনীয়রা: পার্লামেন্টে আন্দ্রেজ দুদাএকের বেশি বিয়ে নয়, ফতোয়া তালিবান প্রধানেরমহাকাশ থেকে রহস্যময় ভুল তথ্য পাঠাচ্ছে নাসার যান!দুই দিনের সফরে ঢাকায় আইসিসি’র চেয়ারম্যানদক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করে ১৯ হাজার ২৯৮ জন করোনায় আক্রান্তমাদারীপুরের কালকিনির ইউএনও-ওসিকে প্রত্যাহারের নির্দেশ ইসির

  • আজ সোমবার, ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ ৷ ২৩ মে, ২০২২ ৷

ইসি গঠনে বিল পাস সংসদে

perlament
❏ বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২৭, ২০২২ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫০ বছর পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনার (ইসি) নিয়োগ আইনসংক্রান্ত বিল পাস হয়েছে। এটিতে এখন রাষ্ট্রপতি সই করলেই আইনে রূপ নেবে। এই আইনের অধীনেই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে।

জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে কণ্ঠ ভোটে পাস হয়েছে ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল ২০২২’। এটি রাষ্ট্রপতির সইয়ের জন্য পাঠানো হবে।

এর আগে বিরোধী দলীয় কয়েকজন এমপি বিলটি জনমত যাচাই-বাছাইয়ের জন্য কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব তুললে তা নাকচ হয়ে যায়।

এদিন সকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। সংসদে উত্থাপিত এ বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটি উত্থাপিত বিলে দুটি সংশোধনী এনে পাসের সুপারিশ করলে ধারা দুটি সংশোধন করে বিলটি পাস হয়।

সংসদে উত্থাপিত বিলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও কমিশনারদের যোগ্যতা সংক্রান্ত ৫(গ) ধারায় বলা আছে, সিইসি ও কমিশনার হতে গেলে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা সরকারি বা বেসরকারি পদে অন্যূন ২০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

এ ধারায় সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা সরকারি বা বেসরকারি পদের পাশাপাশি ‘স্বায়ত্তশাসিত ও অন্যান্য পেশা’ যুক্ত করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

আর অযোগ্যতার ক্ষেত্রে ৬(ঘ) ধারায় বলা আছে, নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে সিইসি ও কমিশনার হওয়া যাবে না।

এখানে দুই বছরের কারাদণ্ড উঠিয়ে শুধু কারাদণ্ডের সুপারিশ করেছে কমিটি। অর্থাৎ নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে যে কোনো মেয়াদের সাজা হলেই সিইসি বা কমিশনার হওয়ার ক্ষেত্রে ‘অযোগ্য’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।