🕓 সংবাদ শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রীকে সাধুবাদ জানিয়েছে টিআইবিচাকরি গেল প্রতিমন্ত্রীর মেয়ের, ফেরত দিতে হবে বেতনওস্বর্ণ গায়েব করে চাকরি হারালেন এসপিখালেদা জিয়া ও বিএনপির জন্য পদ্মা সেতুর নিচে নৌকা রাখা হবে: শাজাহান খানশেখ হাসিনার চেয়ে বেশি উন্নয়ন করাও সম্ভব নয়: খাদ্যমন্ত্রীচট্টগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশসহ তিনজন নিহততরুনীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে সর্বস্ব লুটে নিতেন পুরুষ ছদ্মবেশী এই তরুণী!অচিরেই বিএনপিসহ সকল রাজনৈতিক দলকে আলোচনায় বসার আহবান জানানো হবে: সিইসিসঠিক তথ্য পেতে আইন শৃংখলা বাহিনীর সাথে কাজ করবে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরটিকটক ভিডিও বানাতে নদীতে ঝাঁপ দেবার ঘণ্টা দেড়েক বাদে উদ্ধার হল কিশোরের মৃতদেহ

  • আজ শনিবার, ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ ৷ ২১ মে, ২০২২ ৷

দিনে ৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে সিএনজি স্টেশন


❏ মঙ্গলবার, মার্চ ১, ২০২২ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে দেশের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো প্রতিদিন সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (১ মার্চ) থেকে এই আদেশ কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা)। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।

এক বিজ্ঞপ্তিতে পেট্রোবাংলা জানায়, ১ মার্চ থেকে সরকার সারাদেশে সব সিএনজি স্টেশনে প্রতিদিন বিদ্যুৎ উৎপাদনের পিক-আওয়ার অর্থাৎ সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক সারাদেশে সিএনজি স্টেশনসমূহকে উল্লেখিত সময়সূচি অনুযায়ী বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গ্যাস বিতরণ কোম্পানির ভিজিল্যান্স টিম নিয়মিত মনিটরিং করবে। সিদ্ধান্ত অমান্যকারী সংশ্লিষ্ট সিএনজি স্টেশনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ গ্যাস আইন ২০১০ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনসাধারণের সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে পেট্রোবাংলা।

এর আগে গ্যাস রেশনিং এর কথা বলে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা সিএনজি স্টেশন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিএনজি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফারহান নূর বলেন, আমাদের সেই সময় বলা হয়েছিল গ্যাসের সরবরাহ বাড়লে বন্ধের এই সিদ্ধান্ত তুলে নেওয়া হবে। এখন তো আরও এক ঘণ্টা বাড়ালো। তার অর্থ দাঁড়ায়— গ্যাসের সংকটের সমাধান তো হয়নি, বরং আরও বেড়েছে।