🕓 সংবাদ শিরোনাম

মকবুলের মরদেহ দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল, স্ত্রী সন্তানকে আর্থিক সহায়তা * রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না, আমরাও করব না: ওবায়দুল কাদের * নয়াপল্টন থেকে মির্জা ফখরুলকে ফিরিয়ে দিলো পুলিশ * বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আরও ১,২৫০ কোটি টাকা ঋণ নিলো ২ ইসলামী ব্যাংক * দুই মামলায় হাজিরা দিলেন মির্জা ফখরুল-আব্বাস * থমথমে নয়াপল্টন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় অবরুদ্ধ * ফুলবাড়ীতে অপহরণের ২১ দিনেও উদ্ধার হয়নি নরসুন্দর বাবলু ! * বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দেশে কোন মানুষ ঠিকানাহীন থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী * ভারতকে টানা ২ সিরিজ হারাল বাংলাদেশ * ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে ভুল প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ *

  • আজ বৃহস্পতিবার, ২৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৮ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

চাটমোহরে মারামারির জেরে ঘরছাড়া শুন্যবাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাট

Chatmohar Hamla Vangsur
❏ সোমবার, মার্চ ৭, ২০২২ রাজশাহী

আব্দুল লতিফ রঞ্জু, পাবনা প্রতিনিধি:  জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে উভয়পক্ষের মধ্যে মারপিটের ঘটনার পর হামলা ও মামলায় গ্রেপ্তারের ভয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে রবিউল করিমের পরিবার। প্রতিপক্ষের মারধরে আহত হয়েছে তার পরিবারের কয়েকজন। উল্টো তাদের বিরুদ্ধেই মামলা করেছে প্রতিপক্ষরা। আর শুন্য ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে ব্যাপক লুটপাট চালানো হয়েছে বলে দাবি রবিউল করিমের। ঘটনাটি পাবনার চাটমোহর উপজেলার গুনাইগাছা ইউনিয়নের পৈলানপুর গ্রামে।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, নিজেদের পারিবারিক জমিজমা নিয়ে ওই গ্রামের মৃত ওয়াছিম উদ্দিনের ছেলে রবিউল করিমের সাথে তারই প্রতিবেশি চাচাতো ভাই ইব্রাহিম সরদারের ছেলে আব্দুর রশিদের বিরোধ চলছে। সেই বিরোধের জেরে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে কথা কাটাকাটির সুত্র ধরে রশিদের পক্ষের লোকজন রবিউল করিমের বাড়িতে ঢুকে সদস্যদের মারধর করে। পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে আবারো তারা রবিউল গংদের উপর হামলা চালালে দুইপক্ষের মারামারি হয়।

রবিউল করিমের মেয়ে রোজিনা খাতুনের অভিযোগ, হামলায় তার মা হাসনা খাতুন, ছোট বোন রনজিনা খাতুন ও ভাগ্নে রাজ আহত হয়ে ভাঙ্গুড়া হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ ঘটনায় রশিদের স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন বাদি হয়ে রবিউল করিমসহ ১৫ জনকে আসামী করে চাটমোহর থানায় অভিযোগ দেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, রবিউল করিম ও তার নাতী শাফি কবির রবিন গং রশিদ গংদের উপরে হামলা করলে তারা চারজন আহত হয়ে চাটমোহর হাসপাতালে ভর্তি হয়। এদিকে, এ ঘটনায় হামলা ও মামলার ভয়ে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন রবিউল ও তার পরিবারের লোকজন।

অপরদিকে, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ রবিউল করিমের নাতী শাফি কবির রবিনকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।

এদিকে, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে রশিদের পরিবারের লোকজন গত ১ মার্চ রবিউল করিমের বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। এ সময় তারা একটি টিনের বসতঘর, পাকা দালানবাড়ির সকল জানালার থাই গ্লাস, টয়লেট, চেয়ার টেবিল
ভাঙচুর করে। এছাড়া গেটের তালা ভেঙ্গ ভেতরে ঢুকে নগদ টাকা, স্বর্নালঙ্কার, টিভি সহ বিভিন্ন জিনিসপত্র লুটপাট করে বলে দাবি রবিউল করিমের।

অভিযোগের বিষয়ে আব্দুর রশিদ বলেন, আমরা বাড়িতে থাকি না। ওরাই উল্টো আমাদের লোকজনকে মারধর করেছে। থানায় অভিযোগও দেয়া হয়েছে। এখন আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য তারা পরিকল্পিতভাবে নিজেদের বাড়ি ভাঙচুরের নাটক সাজিয়েছে।

চাটমোহর থানার ওসি মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, দুইপক্ষই মামলা করেছে। নিলুফা ইয়াসমিন ও আব্দুর রহিম বাদি হয়ে পৃথক দু’টি মামলা করেছেন। নিলুফা খাতুনের মামলায় একজনকে আটক করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। রহিমের মামলায়
এখনও কাউকে আটক করা যায়নি। তারপরও পুরো ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কাউকে হয়রানী করা হচ্ছে না। হামলা ভাঙচুরের  সাথে যারা প্রকৃতভাবে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।