🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ শনিবার, ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ ৷ ২১ মে, ২০২২ ৷

কক্সবাজারে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ: স্বজনদের হামলায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু

নিহত
❏ মঙ্গলবার, মার্চ ৮, ২০২২ চট্টগ্রাম, দেশের খবর

কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজার সদর উপজেলার পূর্ব মুক্তারকুল এলাকায় পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে স্বজনদের হামলায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৮ মার্চ) সকাল ৫ টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

মারা যাওয়া ওই বৃদ্ধের নাম আব্দুল হক সিকদার (৬৫)। তিনি একই এলাকার মৃত আবু ছৈয়দ সিকদারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত আব্দুল হকের সাথে তার অপরাপর ভাইদের সাথে পৈত্রিক সম্পত্তিসহ জমিজমা নিয়ে পারিবারিক বিরোধ চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। গত ৩ মার্চ সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে ঝিলংজা ইউনিয়নের দরগাহ পাড়া ষ্টশনের পশ্চিমে ওই বিরোধপূর্ণ জমিতে যায় নিহত আব্দুল হকের ছেলে ওবাইদুল করিম। এতে প্রতিপক্ষের সদস্যরা বাধা দিলে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। খবর পেয়ে নিহত আব্দুল হকও ঘটনাস্থলে যায়।

একপর্যায়ে আব্দুল হকের ভাই মৌলানা সিরাজুল হক, ছালামত উল্লাহ, হাবিব উল্লাহ, মোহাম্মদ শফিক, মুজিবুল হক ও তার ছেলে কামরুল, কাউছারসহ তাদের পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এতে নিহত আব্দুল হকসহ উভয় পক্ষের লোজকন গুরুতর আহত হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে বৃদ্ধ আব্দুল হককে একই দিন উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোর ৫ দিকে আব্দুল হক মারা যান।

নিহত আব্দুল হকের ছেলে ওবাইদুল করিম অভিযোগ করে বলেন, তার চাচা মৌলনা সিরাজ, ছালামত উল্লাহ, হাবিব উল্লাহ, মোহাম্মদ শফিক, মুজিবুল হকসহ লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীদের হামলায় তাঁর পিতা আহত হয়েছেন। হামলার কারণেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর পিতার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পারিবারিক জমিজমা নিয়ে আপন ভাইদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হওয়ায় হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় দু’পক্ষই আহত হয়। ওই ঘটনায় থানায় দু’পক্ষের দুটি মামলা হয়েছে। একটি মামলা এখন হত্যা মামলা হিসেবে তদন্ত করা হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিরা আত্মগোপনে থাকায় তাঁদের কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।