🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ শনিবার, ১৬ আশ্বিন, ১৪২৯ ৷ ১ অক্টোবর, ২০২২ ৷

স্বপ্নের জয় পেল বাংলাদেশ


❏ শনিবার, মার্চ ১৯, ২০২২ Breaking News, খেলা, ফিচার

স্পোর্টস ডেস্কঃ চলতি বছরের শুরুটা হয়েছিল বাংলাদেশের নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ইতিহাস গড়ে। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচটা জয় দিয়ে রাঙ্গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে পেয়েছিল নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথমবারের মতো তাদের পরাজিত করার স্বাদ।

সেই ধারাবাহিকতা বাংলাদেশ ধরে রাখলো সাউথ আফ্রিকা এসেও।

প্রোটিয়াদের মাটিতে তাদের বিপক্ষে জয়টা অধরা ছিল বাংলাদেশের। অবশেষে ২০ বছর পর কাটলো সেই জয় খরা। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেরটা জয় দিয়ে শুরু করল লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। স্বাদ পেল প্রথমবারের মতো সাউথ আফ্রিকার মাটিতে স্বাগতিকদের বধের স্বাদ।

সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ৩৮ রানে। টাইগারদের ছুঁড়ে দেয়া ৩১৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২৭৬ রানেই থেমে যায় স্বাগতিকদের ইনিংসের চাকা।

বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দেখেশুনে করে সাউথ আফ্রিকা। রানরেটের দিকে লক্ষ্য রেখে দুই ওপেনারের ব্যাটে বেশ ভালো এগুচ্ছিল স্বাগতিকরা।

ম্যাচের চতুর্থ ওভারের শেষ বলে প্রোটিয়া শিবিরে আঘাত হানেন পেইসার শরিফুল ইসলাম। তার শর্ট লেন্থের বল ব্যাট ছুঁয়ে যায় ইয়ানেমান মালানের। সেই বল তালুবন্দি করে তাকে মাঠ ছাড়া করেন মুশফিকুর রহিম।

পরে অষ্টম ওভারে ব্যাক টু ব্যাক দুটি উইকেট তুলে নিয়ে প্রোটিয়াদের চাপে ফেলেন তাসকিন।

প্রোটিয়া ওপেনার কাইল ভেরেইনকে ২১ রানে মাঠছাড়া করার পর রানের খাতা খোলার আগেই তাসকিন দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন এইডেন মারক্রামকে।

৩৬ রানে তিন টপ অর্ডারকে হারিয়ে যখন সাউথ আফ্রিকা অথৈ সাগরে ভাসছিল, সে সময় ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন ফন ডার ডুসেন ও টেম্বা বাভুমা। দুইজনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বিপর্যয় এড়িয়ে লড়াইয়ে ফেরে প্রোটিয়ারা।

দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৫৭ বলে ডুসেন তুলে নেন ব্যাক্তিগত অর্ধশতক। দুই জনে মিলে দলের স্কোর ১০০ পার করেন।

এই দুইজনের ৮৫ রানের জুটি ভেঙ্গে ব্রেক থ্রু এনে দেন শরিফুল ইসলাম। উইকেটের পেছনে মুশফিকের তালুবন্দি হয়ে ৩১ রান করে মাঠ ছাড়তে হয় বাভুমাকে শরিফুলের কল্যাণে।

সঙ্গীর বিদায়ে বিচলিত না হয়ে ডেভিড মিলারকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের জয়ের স্বপ্ন ফিকে করার মিশনে নামেন ডুসেন। তবে ৮৬ রানে তাঁকে ফিরিয়ে ম্যাচ নিজেদের দিকে নিয়ে আসেন তাসকিন আহমেদ।

এরপর ব্যাক টু ব্যাক আঘাত হানেন মিরাজ। একে একে ফেরান আন্দিলে ফেলুকোয়েও, মার্কো ইয়ানসেন ও কাগিসো রাবাদাকে। আর তাতেই ম্যাচ থেকে এক প্রকারে ছিটকে যায় সাউথ আফ্রিকা।

এখানেই ক্ষান্তি দেননি মিরাজ। তুলে নিয়েছেন শেষ প্রজন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়া ডেভিড মিলারকেও। মিলারের ৭৯ রানের ফেরার মধ্য দিয়ে মূলত জয়টা সুনিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।

প্রোটিয়া শিবিরে শেষ আঘাতটি হানেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মারকুটে কেশভ মহারাজকে ২৩ রানে থামিয়ে যবানিকাপাত করেন সাউথ আফ্রিকার ইনিংসের।