• আজ বুধবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ ৷ ২৫ মে, ২০২২ ৷

বনানীতে চিরনিদ্রায় শায়িত সাহাবুদ্দীন আহমদ

সাহাবুদ্দীন আহমদ
❏ রবিবার, মার্চ ২০, ২০২২ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (২০ মার্চ) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে সহধর্মিণীর কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে শনিবার (১৯ মার্চ) দুপুর ২টায় নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় নিজ গ্রাম পেময়ীতে সাহাবুদ্দীন আহমদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর রোববার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

সেখানে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয় মরদেহ। এরপর স্ত্রী মরহুম আনোয়ারা আহমেদের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হন সাবেক এই রাষ্ট্রপতি।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীরসহ সাহাবুদ্দীনের পরিবার ও কাছের মানুষজন দাফনে অংশগ্রহণ করেন।

রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শনিবার সকাল ১০টার দিকে মৃত্যু হয় সাহাবুদ্দীন আহমদের। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তিনি বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন।

১৯৯০ সালের ১৪ জানুয়ারি থেকে ১৯৯৫ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাহাবুদ্দীন আহমদ। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তাকে রাষ্ট্রপতি করা হয়।

১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানার পেমল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সাহাবুদ্দীন আহমদ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫১ সালে অর্থনীতিতে স্নাতক করেন। এরপর ১৯৫২ সালে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে এম এ ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে প্রথম কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর প্রশাসক হিসেবে গোপালগঞ্জ ও নাটোর মহকুমায় চাকরি করেন। পরে ১৯৬০ সালে বিচার বিভাগে বদলি হন। তিনি ঢাকা ও বরিশালের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং পরে কুমিল্লা এবং চট্টগ্রামে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৬৭ সালে সাহাবুদ্দীন আহমদ হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ পান। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে তিনি হাইকোর্টের বিচারপতি হন। পরে ১৯৮১ সালের ১৬ এপ্রিল নিয়োগ পান আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে।