🕓 সংবাদ শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রীকে সাধুবাদ জানিয়েছে টিআইবিচাকরি গেল প্রতিমন্ত্রীর মেয়ের, ফেরত দিতে হবে বেতনওস্বর্ণ গায়েব করে চাকরি হারালেন এসপিখালেদা জিয়া ও বিএনপির জন্য পদ্মা সেতুর নিচে নৌকা রাখা হবে: শাজাহান খানশেখ হাসিনার চেয়ে বেশি উন্নয়ন করাও সম্ভব নয়: খাদ্যমন্ত্রীচট্টগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশসহ তিনজন নিহততরুনীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে সর্বস্ব লুটে নিতেন পুরুষ ছদ্মবেশী এই তরুণী!অচিরেই বিএনপিসহ সকল রাজনৈতিক দলকে আলোচনায় বসার আহবান জানানো হবে: সিইসিসঠিক তথ্য পেতে আইন শৃংখলা বাহিনীর সাথে কাজ করবে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরটিকটক ভিডিও বানাতে নদীতে ঝাঁপ দেবার ঘণ্টা দেড়েক বাদে উদ্ধার হল কিশোরের মৃতদেহ

  • আজ শনিবার, ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ ৷ ২১ মে, ২০২২ ৷

লালমনিরহাটে ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধরের অভিযোগ

Lalmonirhat news
❏ শুক্রবার, এপ্রিল ১, ২০২২ রংপুর

মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার কেতকীবাড়ী এলাকায় বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে নওদাবাস ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হককে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে জাহেদুল ইসলাম গং এর বিরুদ্ধে। তবে জাহেদুল ইসলামের দাবী, তারা নয় চেয়ারম্যান তার লোকজনসহ তাদেরকে মারধোর করে তাদের অসংখ্য বাঁশ কেটে নিয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) রাতে এ ঘটনায় ঐ ইউপি চেয়ারম্যানের ছোট ভাই মায়ানুর রহমান পলাশ বাদী হয়ে জাহিদুল ইসলামকে প্রধান আসামী করে ৯ জনের নামে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

অপরদিকে জাহেদুলের স্ত্রী নুরজাহান বেগম বাদি হয়ে বুধবার রাতে নওদাবাস ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হককেসহ ২০ জনের নামে থানায় একটি অভিযোগ দেন।

এর আগে বুধবার (৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঐ উপজেলার কেতকীবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, নওদাবাস ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হকের বাঁশঝাড়ের একটি বাঁশ ঝড়বৃষ্টিতে হেলে পড়ে। ইউপি চেয়ারম্যান সেই বাঁশটি কেটে ফেলার জন্য রবিউল ইসলাম নামে একজনকে বলেন। রবিউল ইসলাম গত বুধবার সকালে উক্ত বাঁশটি কাটার সময় তা দেখে পুর্ব হতে উক্ত জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জের ধরে বিবাদীগণ পুর্ব পরিকল্পিতভাবে দলবদ্ধ হয়ে বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও ধারালো ছোড়া নিয়ে গিয়ে রবিউল ইসলামকে বাঁশ কাটতে নিষেধ করে।
রবিউল ইসলাম উক্ত বাঁশ না কেটে পাশে থাকা ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি বলেন। ইউপি চেয়ারম্যান তাকে সাথে নিয়ে ঐ বাঁশঝাড়ে গিয়ে বিবাদীগণকে সেখান থেকে চলে যেতে বললে তারা ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে তর্কবিতর্ক শুরু করে চেয়ারম্যানকে ধাক্কাধাক্কি ও মারধোর করে। এতে ফজলুল হকের বাম হাতে ফুলা জখম হয়।

এদিকে ইউপি চেয়ারম্যানের ছোট ভাই মায়ানুর রহমান পলাশ তার ঠিকাদারি কাজের মালামাল ক্রয়ের জন্য মোটরসাইকেল যোগে ভাতিজা আরমান (২৬)সহ রংপুরের উদ্দেশ্যে যাবার সময় বিবাদী জাহেদুল ইসলামের বাড়ির সামনে পৌছামাত্র বিবাদীগণ তাদের পথরোধ করে এলোপাতাড়িভাবে তাদের দুজনকে মারধর করে আহত করে। এর এক পর্যায়ে তাদের মোটরসাইকেলের হ্যান্ডেলে চামড়ার ব্যাগে রাখা মালামাল ক্রয়ের জন্য তিন লক্ষ পঁচাত্তর হাজার টাকা বিবাদী নুর মোহাম্মদ (নিরব) জোরপূর্বক বের করে নেয়।

খবর পেয়ে এলাকাবাসী ছুটে গিয়ে ঠিকাদার মায়ানুর রহমান পলাশ ও তার ভাতিজা আরমানকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে দেন। যার রেজি নং- ৪৩৮৭/৪০ ও ৪৩৯৮/৫১।

এবিষয়ে বিবাদী জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমার ক্রয়কৃত ৪ শতক জমির বাঁশ কাটতে এসেছিল ফজলুল হক চেয়ারম্যানসহ তার লোকজন। আমি বাধা দিতে গেলে তারা আমাকেসহ আমার স্ত্রী সন্তাকে মারধোর করে গুরুতর আহত করে সব বাঁশ কেটে নিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান।

হাতীবান্ধা থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, এবিষয়ে পাল্টাপাল্টি দুটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পুর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।