🕓 সংবাদ শিরোনাম

জমি দখলে বাধা দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, বৃদ্ধসহ আহত-২ভারতের বেঙ্গালুরুতে বাংলাদেশি নারীকে ধর্ষণের দায়ে ১১ জনের কারাদণ্ড‘সংকট নিরসনে শ্রীলঙ্কা ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মডেল’ অনুসরন করতে পারে’স্কুল ফাঁকি দেয়া শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রাখা উচিত: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীটানা ৩১ দিন করোনায় মৃত্যুহীন দেশ, গত ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ১৬দেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানে নতুন আবিস্কার: হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের ওষুধ ‘ন্যাসভ্যাক’রাতগভীরে ঘুম থেকে উঠে গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যাবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শাবিপ্রবি পেল সর্বোচ্চ বরাদ্দবঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা চ্যাম্পিয়াননির্বাচনে ভোটারদের না আসার প্রবণতা রয়েছে: নির্বাচন কমিশনার

  • আজ রবিবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ ৷ ২২ মে, ২০২২ ৷

আসলামুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

সভা
❏ শনিবার, এপ্রিল ২, ২০২২ ঢাকা

রাজু আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা-১৪ আসনের সাবেক সাংসদ ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি মরহুম আসলামুল হকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার স্মরণে বিশেষ আলোচন সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর উত্তরের দারুসসালাম, শাহ আলী ও মিরপুর থানা আ’লীগের সমন্বয়ে, প্রয়াত সাংসদ আসলামুল হকের সহধর্মিণী মাকসুদা হকের আয়োজনে ও ঢাকা-১৪ আসনের বর্তমান সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আগা খান মিন্টু এমপি’র সভাপতিত্বে এবং সার্বিক তত্বাবধানে ১০ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে এ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগ, অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও জনসাধারণের উপস্থিতি রীতিমতো জনসমুদ্রে পরিণত হয়। গত বছরের ৪ এপ্রিল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রয়াত আসলামুল হকের স্ত্রী মাকসুদা হক তার রূহের মাগফেরাত কামনা করে বলেন, আমার স্বামী মৃত্যুর আগে দীর্ঘ বারো বছর ঢাকা-১৪ আসনের সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। মানুষ হিসেবে তিনি কেমন ছিলেন তা আমার চেয়ে বেশি ভালো আর কেউ জানেন না। তিনি যেদিন থেকে সাংসদ হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন; সেদিনের পর থেকে রাতের পর রাত বালিশে মাথা রাখেননি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকণ্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত আস্থাভাজন ও স্নেহাশিস হিসেবে সর্বদা আ’লীগ ও ঢাকা-১৪ আসনের সর্বস্তরের জনসাধারণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন। আজকে তার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনসমুদ্র সেটিই প্রমাণ করে মানুষ তাকে কতটা ভালোবাসতেন। তার রূহের মাগফেরাত কামনায় আমি আপনাদের দোয়া প্রার্থী।

এসময় ঢাকা মহানগর উত্তর আ’লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান বলেন, আসলামুল হক ছিলেন একজন মেধাবী রাজনীতিবীদ ও আদর্শ সংগঠক। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের বিকল্প হবে না।

ঢাকা মহানগর উত্তর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ মান্নান কচি বলেন, আসলামুল হকের অকাল প্রয়াণে যে অপুরণীয় ক্ষতি হয়েছে তা কখনোই পুরণ হওয়ার নয়।

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক মোবাশ্বের চৌধুরী বলেন, আসলামুল হকের অকাল প্রয়াণে আমরা কি হারিয়েছি; তা ঢাকা-১৪ আসনের সর্বস্তরের সকল জনসাধারণের মন ঠিকই অনুভব করেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহার আনাম বলেন, ঢাকা-১৪ আসনে আসলামুল হক ছিলেন উন্নয়নের রুপকার। তার হাত ধরে আসনটিতে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বলেন, আমি খুব কাছ থেকে তার সাথে মিশেছি। আসলামুল হক ছিলেন একজন জনবান্ধন রাজনৈতিক নেতা। আমি দেখেছি, তার জীবদ্দশায় যেকেউ যেকোনো প্রয়োজনে তার কাছে গিয়ে খালি হাতে ফেরেননি।

ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও সাবেক নারী সাংসদ সাবিনা আক্তার তুহিন বলেন, প্রয়াত সাংসদ আসলামুল হকের অকাল প্রয়াণ এখনো আমার হৃদয়ে প্রখর বেদনার সৃষ্টি করে। তিনি সাংসদ থাকাকালীন দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ঢাকা-১৪ আসনের উন্নয়ন কল্পে যে প্রকল্পগুলি হাতে নিয়েছিলেন সেগুলির মধ্যকার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করার দায়িত্ব আমাদেরই। আমরা তাকে কোনদিনই ভুলতে পারবো না। তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা ও ভালো মন্দ দেখার দায়িত্বও আমাদেরই নেওয়া উচিৎ।

অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে সমাপনী বক্তব্যে ঢাকা-১৪ আসনের বর্তমান সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আগা খাঁন মিন্টু এমপি বলেন, আসলামুল হক ছিলেন একজন বলিষ্ঠ নেতা, স্বচ্ছ ও সাবলীল সংগঠক হিসেবে একটি উজ্জল দৃষ্টান্ত। গুরুজনদের শ্রদ্ধা, সমসাময়িকদের ভালোবাসা কিংবা ছোটদের স্নেহদান করার মতো মহৎ গুনটি তার মধ্যে পরিপূর্ণই ছিলো। তিনি আমাকে অভিভাবক হিসেবে তার পিতার মতোই শ্রদ্ধা করতেন। এমনকি যেকোনো কর্মকান্ডের আগে আমার পরামর্শ গ্রহণ করতেন। তার তীক্ষ্ণ ও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন চোখ সর্বদাই উন্নয়নের স্বপ্নে বিভোর থাকতো। তিনি যেমন ছিলেন একজন মানবিক মানুষ, তেমনি ছিলেন অপরাধের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর।

তিনি সাংসদ থাকাকালীন দীর্ঘ বারো বছরে সমগ্র ঢাকা-১৪ আসনে প্রায় সারে তিন হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন সাধন করে গেছেন। কিছু কাজ এখনো অসমাপ্ত রয়ে গেছে। আমি তার অসমাপ্ত কাজগুলিই আগে সমাপ্ত করার আশাবাদ ব্যাক্ত করছি।

এসময় তার রূহের মাগফেরাত কামনাসহ তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি বিশেষ সমবেদনা জানান আগা খান মিন্টু এমপি।

দারুসালাম থানা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ফরিদুল হক হ্যাপীর সঞ্চালনায় স্মরণভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মিরপুর থানা আ’লীগের সভাপতি এসএম হানিফ, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মুরাদ হোসেন, সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন তিতু, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কাজি টিপু সুলতান, দারুসসালাম থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মোঃ ইসলাম, নারী কাউন্সিলর শিখা বিশ্বাস, ৯৩ নম্বর ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি শেখ মান্নান, শাহ আলী থানা ছাত্রলীগ সভাপতি জাকির হোসেন, যুব মহিলা লীগের শাহ আলী থানা সভাপতি শামসুন্নাহার বুচি প্রমুখ।