🕓 সংবাদ শিরোনাম

জম্মু-কাশ্মীরে টানেল ধস; দীর্ঘ ৩৬ ঘণ্টা উদ্ধার তৎপরতায় মিললো ১০ মরদেহজমি দখলে বাধা দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, বৃদ্ধসহ আহত-২ভারতে যৌন নির্যাতনের শিকার আলোচিত সেই তরুণীকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরভারতের বেঙ্গালুরুতে বাংলাদেশি নারীকে ধর্ষণের দায়ে ১১ জনের কারাদণ্ড‘সংকট নিরসনে শ্রীলঙ্কা ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মডেল’ অনুসরন করতে পারে’স্কুল ফাঁকি দেয়া শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রাখা উচিত: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীটানা ৩১ দিন করোনায় মৃত্যুহীন দেশ, গত ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ১৬দেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানে নতুন আবিস্কার: হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের ওষুধ ‘ন্যাসভ্যাক’রাতগভীরে ঘুম থেকে উঠে গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যাবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শাবিপ্রবি পেল সর্বোচ্চ বরাদ্দ

  • আজ রবিবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ ৷ ২২ মে, ২০২২ ৷

মানবতাবিরোধী অপরাধ: বড়লেখার হাবুলসহ ৩ জনের রায় যেকোনো দিন


❏ মঙ্গলবার, এপ্রিল ১২, ২০২২ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মৌলভীবাজারের বড়লেখার আব্দুল আজিজ ওরফে হাবুলসহ তিন জনের বিরুদ্ধে যে কোনো দিন রায় (সিএভি) ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল উভয়পক্ষে যুক্তিতর্ক শেষে আজ এই আদেশ দেন।

আসামি আব্দুল মান্নানের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম. সারোয়ার হোসেন ও আব্দুল আজিজের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ান। প্রসিকিশনের পক্ষে প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল ও প্রসিকিউটর সাবিনা ইয়াসমিন মুন্নি শুনানি করেন।

২০১৪ সালের ১৬ অক্টোবর এ তিন জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শুরু করে ২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর শেষ করেন। তদন্তে তিন আসামির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগঠিত মৌলভীবাজারের বড়লেখা এলাকায় হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতনের মতো পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি মানবতাবরোধী অপরাধের মামলায় বড়লেখার ৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।

১ মার্চ মৌলভীবাজারের বড়লেখা থানা পুলিশ দু’জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর ২ মার্চ আব্দুল আজিজ ও আব্দুল মান্নানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।

আসামি দুই সহোদর আব্দুল আজিজ ও আব্দুল মতিন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তারা প্রশিক্ষণ নিতে ভারতের বারপুঞ্জিতে যান। কিন্তু প্রশিক্ষণরত অবস্থায় পালিয়ে এসে তারা রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন। আসামি আব্দুল মতিন পলাতক রয়েছে।