🕓 সংবাদ শিরোনাম

আরিফিন শুভ-তিশাকে শুভকামনা জানালেন নওয়াজুদ্দিনবিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব আত্মঘাতী: এফবিসিসিআইআড়াইহাজারে মজুরি বৃদ্ধিসহ দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণের দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভজাপা কোন জোটে যাবে পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত: জিএম কাদেরআগামী মাসেই পদ্মা সেতুতে দাঁড়িয়ে মানুষ পূর্ণিমার চাঁদ দেখবে: কাদেরঝড়ের কবলে পড়ে বালুবাহী বাল্কহেড ডুবিসরকারি কর্মচারীদের ৬০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবিচট্টগ্রামে পুলিশ ভ্যানে বাসের ধাক্কা, ১৫ পুলিশ সদস্য আহতগাজীপুরে অরক্ষিত ক্রসিংয়ে ট্রেন-পিকআপ ভ্যান সংঘর্ষে নিহত ৩৫৫ বছর বয়সে ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবেন বেলায়েত

  • আজ শনিবার, ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ ৷ ২১ মে, ২০২২ ৷

রমজানের সরবরাহে টিসিবিতে ভর্তুকি সাড়ে ছয়শো কোটি টাকা


❏ রবিবার, এপ্রিল ১৭, ২০২২ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: রমজান মাসকে কেন্দ্র করে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে জেলায় জেলায় ন্যায্যমূল্যে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ ক্ষেত্রে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে ৬৫৪ কোটি টাকা। এ ভর্তুকি টিসিবির নিয়মিত কার্যক্রমের ভর্তুকির অতিরিক্ত।

সম্প্রতি টিসিবির তৈরি করা এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে রমজান উপলক্ষে বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে সারাদেশে এক কোটি পরিবারকে টিসিবি ভর্তুকি মূল্যে সয়াবিন তেল, চিনি, মসুর ডাল, ছোলা ও খেজুর সরবরাহ করছে।

ঢাকা ও বরিশাল সিটি করপোরেশন বাদে অন্যান্য সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে উপকারভোগী নির্বাচন করে তাদের কাছে টিসিবি এসব পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে। এজন্য পরিবারগুলোকে দেওয়া হয়েছে বিশেষ কার্ড। একটি কার্ডের বিপরীতে ভর্তুকি মূল্যে ২ লিটার ভোজ্যতেল, ২ কেজি করে চিনি, ছোলা, মসুর ডাল ও চিনি দেওয়া হচ্ছে। একটি পরিবার রমজানে দু’বার করে পাচ্ছে এসব পণ্য।

জানা গেছে, পণ্য কিনতে টিসিবির খরচ হয়েছে এক হাজার ৫৪২ কোটি টাকা। ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি শেষে পাওয়া যাবে ৯৫০ কোটি টাকা। এ ছাড়া পরিবহন, গুদামজাতকরণসহ অন্যান্য খরচের কারণে ভর্তুকির পরিমাণ বাড়বে। সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি দিতে হচ্ছে সয়াবিন তেলে। ভোজ্যতেল বাবদ ভর্তুকি দিতে হবে ২১৫ কোটি টাকা। ১১৬ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে চিনিতে। ১৯২ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে মসুর ডালে। ছোলায় ৬৬ কোটি এবং খেজুরে ৩৭ কোটি টাকা ভর্তুতি দিতে হচ্ছে।

এর বাইরে জেলা প্রশাসকের গুদামে মজুত করা ও ফ্যামিলি কার্ড তৈরির খরচ বাবদ যাচ্ছে ২৫ কোটি টাকা। জরিপ করতে ১০ কোটি, পরিবহনে ১০ কোটি, গুদাম ভাড়া ৩ কোটি ২৫ লাখ এবং পণ্য লোড-আনলোড বাবদ ১৩ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে।