• আজ বুধবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ ৷ ২৫ মে, ২০২২ ৷

প্রেসিডেন্টকে ছাড়াই শপথ নিলেন পাকিস্তানের নতুন মন্ত্রীরা!

International news
❏ বুধবার, এপ্রিল ২০, ২০২২ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অবশেষে বিস্তর টালবাহানার পরে শপথ নিলেন পাকিস্তানের মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যেরা। গত কালই মোট ৩১ জন ফেডেরাল মন্ত্রী, তিন জন প্রতিমন্ত্রী এবং তিন জন উপদেষ্টার নাম চূড়ান্ত করে ফেলেছিলেন সদ্য নিযুক্ত পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ। সেই মতো কালই মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানোর কথা ছিল পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভির।

কিন্তু আচমকাই অসুস্থতার জন্য কাল ছুটিতে চলে যান তিনি। এর আগে শাহবাজ়ের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের দিনও হঠাৎ করে শারীরিক অস্বস্তির কথা জানিয়ে বাড়ি চলে গিয়েছিলেন পাক প্রেসিডেন্ট। গত কালও ঠিক একই কারণ দেখিয়ে ছুটিতে চলে যান তিনি। প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে টুইট করে জানানো হয়েছে, চিকিৎসকেরা তাঁকে দেখেছেন। এখন তাঁর কয়েক দিন টানা বিশ্রামের প্রয়োজন। তবে প্রেসিডেন্টের ঠিক কী হয়েছে, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতিতে শেষমেশ আজ শপথ বাক্য পাঠ করান পাক সেনেটের চেয়ারম্যান সাদিক সঞ্জরানি। পাক প্রেসিডেন্ট বার বার এ ভাবে শপথ বাক্য পাঠ করাতে অস্বীকার করায় তাঁকে দ্রুত সরানো হতে পারে বলে ইতিমধ্যেই গুঞ্জন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে শাহবাজ় শরিফের জোট সরকার এখনই সে পথে হাঁটতে চাইছে না বলে সূত্রের খবর। এ বিষয়ে হুড়োহুড়ি না করে সদ্য গঠিত সরকারের সব মন্ত্রী ও তাঁদের দলের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন পাক প্রধানমন্ত্রী।

নিজের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ় (পিএমএল-এন) ছাড়াও একাধিক জোট শরিককে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দিয়েছেন শাহবাজ়। যার মধ্যে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) অন্যতম। যদিও পিপিপি-র চেয়ারম্যান বিলাবল ভুট্টোকে আপাতত কোনও পদ দেওয়া হয়নি। তবে পিপিপি-র বেশ কয়েক জন মন্ত্রীকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানাচ্ছে পাক সংবাদমাধ্যম। যার মধ্যে অন্যতম প্রাক্তন পাক বিদেশমন্ত্রী হিনা রব্বানি খান। এ বারও পিপিপি-র এই তরুণ নেত্রীকে বিদেশ মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হিনা ছাড়া পিপিপি-র আরও দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতা-নেত্রী শেরি রহমান এবং খুরশিদ শাহ মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়ার কথা প্রাক্তন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী তথা পিএমএল-এন নেতা খাজা মহম্মদ আসিফেরও।

পিপিপি ছাড়াও মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন মুত্তাহিদা মজলিস ই আমল, মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট পাকিস্তান, বালুচিস্তান আওয়ামি পার্টি, জামহুরি ওয়াত্তারি পার্টি, পাকিস্তান মুসলিম লিগ (কায়েদ-ই-আজ়ম গ্রুপ)-এর মতো দলের নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর তিন উপদেষ্টার মধ্যে পিপিপি-র এক জন এবং পিএমএল-এনের দু’জন সদস্য রয়েছেন।