🕓 সংবাদ শিরোনাম

জমি দখলে বাধা দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, বৃদ্ধসহ আহত-২ভারতের বেঙ্গালুরুতে বাংলাদেশি নারীকে ধর্ষণের দায়ে ১১ জনের কারাদণ্ড‘সংকট নিরসনে শ্রীলঙ্কা ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মডেল’ অনুসরন করতে পারে’স্কুল ফাঁকি দেয়া শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রাখা উচিত: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীটানা ৩১ দিন করোনায় মৃত্যুহীন দেশ, গত ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ১৬দেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানে নতুন আবিস্কার: হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের ওষুধ ‘ন্যাসভ্যাক’রাতগভীরে ঘুম থেকে উঠে গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যাবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শাবিপ্রবি পেল সর্বোচ্চ বরাদ্দবঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা চ্যাম্পিয়াননির্বাচনে ভোটারদের না আসার প্রবণতা রয়েছে: নির্বাচন কমিশনার

  • আজ রবিবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ ৷ ২২ মে, ২০২২ ৷

নিউ মার্কেটে সংঘর্ষ: বিএনপির মৃত নেতাও আসামি!


❏ বুধবার, এপ্রিল ২৭, ২০২২ ফিচার

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় আসামির তালিকায় বিএনপির মৃত নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে দাবি করেছেন দলটির আইনজীবীরা। এ ঘটনাকে তারা পুলিশ বাহিনীর ভঙ্গুরতার নিদর্শন বলে উল্লেখ করেছেন।

এদিকে নিউ মার্কেটে সংঘর্ষের মামলায় মঙ্গলবার বিএনপির ১৪ নেতা-কর্মীকে আগাম জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই জামিন আদেশ দিয়েছে। আগাম জামিনপ্রাপ্তদের ছয় সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জামিন শুনানি শেষে আদালত থেকে বেরিয়ে আসার সময় সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘নিউ মার্কেটে সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে চারটি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটিতে আসামিরা অজ্ঞাত। আরেকটি মামলায় বিএনপির নিউ মার্কেট থানার সভাপতিসহ সর্বমোট ২৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।’

এজাহারে নাম উল্লেখ করা আসামিদের সবাই বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের দায়িত্বশীল নেতা বলেও উল্লেখ করেন এই আইনজীবী।

তিনি বলেন, ‘উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে এই ২৪ আসামির মধ্যে ২৩ নম্বর আসামি দুই বছর আগে মারা গেছেন। চার নম্বর আসামি ৭ বছর ধরে বিদেশে আছেন। এই মামলার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর ভঙ্গুরতা আরেকবার প্রমাণ হয়েছে।

পুলিশের সমালোচনা করে কায়সার কামাল বলেন, ‘পুলিশ এমন একজনের বিরুদ্ধে মামলা করল যিনি জীবিত নন। ওনার অপরাধ ছিল, উনি জীবিত থাকা অবস্থায় বিএনপির রাজনীতি করতেন। তার মানে মৃত বিএনপি নেতাও আজ পুলিশের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং ন্যক্কারজনক।

আগাম জামিন পাওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন- আমীর হোসেন আলমগীর, মিজান, হাসান জাহাঙ্গীর মিঠু, হারুন হাওলাদার, শাহ আলম সন্টু, শহীদুল ইসলাম শহীদ, জাপানী ফারুক, মিজান বেপারী, আসিফ, রহমত, বিল্লাল, মনির, জুলহাস ও বাবুল।