• আজ বুধবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ ৷ ২৫ মে, ২০২২ ৷

সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা, লুটপাট : সাংবাদিকসহ আহত-৮

Cox's Bazar news
❏ মঙ্গলবার, মে ১০, ২০২২ চট্টগ্রাম

শাহীন মাহমুদ রাসেল,স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, (কক্সবাজার): কক্সবাজারের চকরিয়ায় সংবাদিক জিয়াবুল হকের পরিবারের সদস্য ও বসত বাড়িতে দফায় দফায় হামলা ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা।

এসময় সন্ত্রাসীরা বসতঘর ভাংচুর, লুটপাট ও মারধর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিক জিয়াবুল হক। এছাড়াও সাংবাদিকদের মোবাইলও ছিনিয়ে নেয় সন্ত্রাসীরা।

এতে ওই পরিবারের সদস্য ও বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছে। সাংবাদিক জিয়াবুল হক দৈনিক সংবাদ ও চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক সুপ্রভাত পত্রিকার চকরিয়া উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১০ মে) সকাল ১১টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডস্থ কাজীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে। আটককৃতরা বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। আহতরা বর্তমানে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জিয়াবুল হক বলেন, ‘মঙ্গলবার সকালে নিজের বসতঘরে পাঁকা ঘর নির্মাণের কাজ করছিলাম। এসময় স্থানীয় সন্ত্রাসী নাজেম উদ্দিন ও শামসুল আলম চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নাজেম উদ্দিন ও শামসুল আলমের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী পুলিশের সামনে আমাদের উপর হামলা চালায়। এসময় আমিসহ আমার পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হন। এমনকি বেশ কয়েকজন স্থানীয় সাংবাদিকও আহত হন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে চলে যায়।’

তিনি আরোও বলেন, ‘পুলিশ চলে যাওয়ার পর দুপুর ১টার দিকে আবারও আমার বসতঘরে হামলা শুরু করে সন্ত্রাসীরা। এসময় তারা আমার বসতঘর ভাংচুর ,লুটপাট চালায়। বাধা দিতে গেলে আবারও আমাদেরকে মারধর করে। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আমাদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়।’ এব্যাপারে আইনী পদক্ষেপ নেবেন বলেও জানান জিয়াবুল হক।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, ‘ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’ এঘটনায় আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে, সাংবাদিক জিয়াবুল হকের বসতঘরে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন চকরিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা। তারা অনতিবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।