কুড়িগ্রামে বানভাসীদের দুর্ভোগ চরমে, সহযোগিতা চায় বানভাসী মানুষজন


❏ শুক্রবার, জুন ২৪, ২০২২ রংপুর

ফয়সাল শামীম, স্টাফ রিপোর্টার: কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি হ্রাস পেতে শুরু করায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে। তবে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি এখনও বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে চরাঞ্চল ও নিন্মাঞ্চলের ঘর-বাড়ি। এতে দুর্ভোগ আরো বেড়েছে বানভাসীদের। দীর্ঘ সময় ধরে পানিবন্দি থাকায় শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পনির চরম সংকটে পড়েছেন দুর্গতরা।

এদিকে চারনভূমি তলিয়ে থাকায় ও গো-খাদ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নিজেদের খাবারের পাশাপাশি গবাদি পশু নিয়েও বিপাকে পড়েছেন তারা।

এবারের বন্যায় জেলার ৫০টি ইউনিয়নের ২শ ৮৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। সরকারী হিসেবে এতে পানিবন্দি হয়ে পড়ে সোয়া লাখ মানুষ।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ওয়াপদা গড়ে আশ্রয় নেয়া আনিছুর রহমান বলেন, আমাদের ঘরে পানি আমরা খুব কষ্টে আছি। তিনি আরও বলেন, সমাজের হৃদয়বানরা যদি একটু সাহায্য করতো তাহলে আমদের দুঃখ কিছুটা হলেও কমতো।

বন্যা কবলিত এলাকায় ২শ ৯৪ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৩০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এখনও বন্ধ রয়েছে পাঠদান।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে জেলায় ১৪ হাজার হেক্টর জমির টিনা, কাউন, পটল, মরিচসহ বিভিন্ন সবজি ক্ষেত ও পাট এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বন্যার পানিতে নিমজ্জিত থাকায় তা নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুর রশিদ জেলায় ১৪ হাজার হেক্টর জমির ফলস তলিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কালিপদ রায় জানান, জেলায় ১১শ ৫৭টি মাছের খামার ভেসে যায়। এতে ১১শ ৬৩জন মাছ চাষী ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ক্ষতির পরমান ১শ ৮০ কোটি টাকা।

আমাদের মাধ্যমে কুড়িগ্রামের বন্যা কবলিত মানুষদের পাশে দাড়াতে-০১৭১৩২০০০৯১।