🕓 সংবাদ শিরোনাম

নারী সহকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুই নিরাপত্তা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার * গাছ থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার * পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালা * যে সংবাদের শিরোনামে ‘বিব্রত’ সময়ের কণ্ঠস্বর ! * গিনেস রেকর্ডে ফের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করলেন ঠাকুরগাঁওয়ের রাসেল * অনিশ্চয়তার বেড়াজাল পেরিয়ে অবশেষে ঢাকা আসছেন ‘ড্যান্স কুইন’ নোরা ফাতেহি * বাসের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত * বড়দের সামনে সিগারেট খাওয়া নিয়ে দ্বন্দে কয়েকদফা সংঘর্ষ, আহত ১১ জন * বগুড়ায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে সাবেক সেনা সদস্য খুন * পণ্ড বিয়ের আয়োজন, বর গেলো শ্রীঘরে, অর্থদণ্ড হলো কনের বাবার *

  • আজ শনিবার, ২৩ আশ্বিন, ১৪২৯ ৷ ৮ অক্টোবর, ২০২২ ৷

‘পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা দেশবিরোধী, এদের খুঁজে বের করতে হবে’


❏ সোমবার, জুন ২৭, ২০২২ প্রধান খবর

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: ষড়যন্ত্র না থাকলে পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ কেন হলো বলে প্রশ্ন রেখেছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, যড়যন্ত্রকারীরা দেশবিরোধী, এদের খুঁজে বের করতে হবে।

সোমবার (২৭ জুন) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

আদালত বলেন, পদ্মা সেতু আমাদের জাতীয় সম্পদ। এটা আমাদের অহংকার। এ ধরনের জাতীয় স্বার্থ উন্নয়নের বিরুদ্ধে যারা থাকেন, তারা জাতির শত্রু, দেশের শত্রু, তাদের চিহ্নিত করা দরকার।

একই সঙ্গে পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠন প্রশ্নে জারি করা রুলের আদেশের জন্য আগামীকাল (মঙ্গলবার) দিন ধার্য করেন আদালত।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পরদিন রোববার (২৬ জুন) রাষ্ট্রপক্ষ পাঁচ বছর আগে জারি হওয়া ওই রুলের শুনানি চেয়ে তা আদালতে উপস্থাপন করে।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাই কোর্ট বেঞ্চ তখন সোমবার (আজকের দিন) শুনানির দিন ঠিক করে।

সংশ্লিষ্ট হাই কোর্ট বেঞ্চে দায়িত্বরত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করেন।

তিনি বলেন, “এ বিষয়ে পাঁচ বছর আগের একটি রুল জারি করা হয়েছিল, আজ আমি রুলের বিষয়টি শুনানির জন্য আদালতে উপস্থাপন করেছি, এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামীকাল সময় নির্ধারণ করবে বলে আদালত উল্লেখ করেছে।”

২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পদ্মা সেতু প্রকল্পে ‘দুর্নীতির মিথ্যা গল্প’ সংক্রান্ত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর হাই কোর্ট বেঞ্চ।

ওই রুলে ‘ষড়যন্ত্রকারীদের’ খুঁজে বের করতে ১৯৫৬ সালের ‘ইনকোয়ারি অ্যাক্ট’র তৃতীয় অনুচ্ছেদ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন অনুযায়ী কমিটি বা কমিশন গঠনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না- তা সরকারের কাছে জানতে চাওয়া হয়।

সেই সঙ্গে ‘প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের’ কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না- তাও জানতে চায় আদালত।

ওই রুলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, যোগযোগ সচিব, দুদক চেয়ারম্যান ও আইজিপিকে বিবাদী করা হয়।

এছাড়া কমিটি বা কমিশন গঠনে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা জানিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

পরে ওই কমিশন গঠন নিয়ে সরকারের তিনটি মন্ত্রণালয়ে চিঠি চালাচালির পর এই বিষয়ে গত পাঁচ বছরে আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। এর মধ্যে রুল জারি করা হাই কোর্টের ওই বেঞ্চের পরিবর্তন হওয়ার পর এই সময়ে মামলাটি আর কোনো বেঞ্চে উঠেনি।