🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন, ১৪২৯ ৷ ৪ অক্টোবর, ২০২২ ৷

নামাজের সময় ছাড়া মসজিদের এসি বন্ধ রাখার অনুরোধ


❏ সোমবার, জুলাই ১৮, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: মসজিদে এসি একেবারে বন্ধ রাখতে বলা হয়নি জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, শুধুমাত্র নামাজের সময় ছাড়া বাকি সময় বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয় ইস্যুতে সোমবার (১৮ জুলাই) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপাসনালয়ে আমরা এসি ব্যবহার করছি প্রচুর পরিমাণে। এখানে কিছুটা সাশ্রয়ী হওয়া দরকার। নামাজের সময়টুকু কেবলমাত্র ব্যবহার করেন, বাকি সময়ে তারা যেন বন্ধ রাখেন, এদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মসজিদ, মন্দির, গির্জা সব উপাসনালয়ে তারা যাতে সাশ্রয়ীভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন। কারণ আমরা জানি, প্রচুর পরিমাণে এসি লাগানো হয়েছে। নামাজের সময় খুব মৃতব্যয়ী হয়ে যদি এ গরমের সময়ে এসি চালান এবং নামাজ শেষে এসিটা বন্ধ করতে হবে। আমার সাজেশন এটাই, আমরা এভাবেই চিন্তাভাবনা করছি।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা অনেক জায়গায় দেখেছি, নামাজের সময়টুকু বাদ দিয়েও অনেকে এসি চালায়। এজন্য আমি অনুরোধ করবো, আপনারা নির্দিষ্ট সময়ে এসি ছাড়তে পারেন। যতটুকু পারেন, সাশ্রয় করুন, এটাই আমার অনুরোধ।

ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে আমাদের হয়তো দিনে এক থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি হবে। সেই ঘাটতি মেটাতে এলাকাভিত্তিক এক ঘণ্টার মতো লোডশেডিং করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এক সপ্তাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দেখব। যদি এতেই আমাদের সাফিসিয়েন্ট মনে হয়, তাহলে তো সমস্যা নেই। নইলে আরও এক ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং করা হতে পারে। এর পাশাপাশি আমাদের সবাইকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে।’

লোডশেডিংয়ের সময় যেন আগে থেকেই গ্রাহকদের জানিয়ে দেওয়া যায়, সেই ব্যাপারে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো কাজ করছেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ইউরোপের প্রত্যেকটা দেশ জ্বালানি সাশ্রয়ে বিভিন্ন রকম মেকানিজমে গেছে। আমরাও যদি সবাই মিলে চেষ্টা করি… যানবাহনের ক্ষেত্রে যদি কিছুটা কম ব্যববহার করি, সরকারি মিটিং যেগুলো হয় অনলাইন করে ফেলি তাহলে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবহার কমবে।’

এসব সিদ্ধান্ত সাময়িক সময়ের জন্য উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিপিসি আমাদের জানিয়েছে যে তাদের তেলের মূল্যবৃদ্ধি করতে হবে। কিন্তু প্রাইস অ্যাডজাস্ট করলেই তো সমস্যার সমাধান হবে না। আমরা কতটুকু সাশ্রয়ী হয়ে চলতে পারি, সেটা দেখছি। সরকার তো আগে থেকেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দিয়ে আসছে। এখন যে হারে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে, এই ভর্তুকি দেওয়াটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’