মাথাপিছু আয় বেশি দেখাতে জনসংখ্যা কম দেখানো হয়েছে: ফখরুল

ফখরুল
❏ বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৮, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: মাথাপিছু আয় বেশি দেখাতে এবারের জনশুমারিতে জনসংখ্যা কম দেখানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই জনশুমারি সঠিক হয়নি বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম।

নড়াইলে সহিংসতার ঘটনায় গত ১৮ জুলাই বিএনপির পক্ষ থেকে দলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নেতাই রায় চৌধুরীর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। গত শনিবার (২৩ জুলাই) তদন্ত কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের সেই তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বিশ্বব্যাপী এই শুমারিকে আদমশুমারি বলা হলেও সরকার এটাকে জনশুমারি বলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার সবক্ষেত্রে প্রতারণা করছে। সরকার প্রতারণার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ফেক গভর্নমেন্ট।

নড়াইলের লোহাগাড়া উপজেলার দিঘলিয়া গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের অন্তর্কোন্দল, দ্বিধাবিভক্তির কারণেই হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা।

এই ঘটনায় অবিলম্বে দোষীদের শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরেই হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর সবচেয়ে বেশি হামলা হয়। তাদের সম্পদ দখল হয়। নির্দলীয় সরকারের দাবি পাশ কাটাতে সাম্প্রদায়িক হামলার মতো নানা কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে সরকার।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। আওয়ামী সরকারের অধীনে ইলেকশন হতে পারে না। তারা নির্বাচনী ব্যবস্থা এমন জায়গায় নিয়ে গেছে, যেখানে শিশু পর্যন্ত রক্ষা পায় না।

পুলিশের গুলিতে ঠাকুরগাঁওয়ে ইউপি নির্বাচনে শিশু হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে দায়ীদের গ্রেফতারের দাবিও জানান মির্জা ফখরুল।

মির্জা ফখরুল বলেন, আদমশুমারিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের সংখ্যা কমে গেছে শতকরা এক শতাংশেরও বেশি। বারবার এই অত্যাচার হয়েছে। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় এসেছে তখনই সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটেছে। ভিন্ন সম্প্রদায়ের সম্পত্তি দখল করেছে তারা।

এই বিএনপি নেতা বলেন, গণতন্ত্রের অভাবেই ভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিকল্পিতভাবে হিন্দু সম্প্রদায়কে দেশ থেকে তাড়িয়ে সম্পত্তি দখল করাই উদ্দেশ্য।