• আজ বৃহস্পতিবার, ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ১ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

নয়াপল্টনে নূরে আলমের জানাজা অনুষ্ঠিত


❏ বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৪, ২০২২ Uncategorized

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ভোলা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নুরে আলমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের রাস্তার দুই পাশে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক এই জানাজায় অংশ নেন।

এর আগে বেলা ১১টায় এই জানাজা হওয়ার কথা থাকলেও ময়নাতদন্ত ও গোসলের কারণে কিছুটা বিলম্ব হয়। পরে দুপুর ১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মরদেহ নয়া পল্টন কার্যালয়ের সামনে নিয়ে আসা হয়। এর পর পরই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ওলামা দলের মাওলানা নেছারুল হক জানাজার নামাজ পড়ান ও দোয়া পরিচালনা করেন।

বিএনপির পূর্ব ঘোষিত এই জানাজায় অংশ নিতে সকাল ৯টা থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন। এ সময় নেতাকর্মীরা মিছিল ও স্লোগান দিতে থাকেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছিল সতর্ক অবস্থায়। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে জানাজা শেষে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা আপ্লুত হয়ে পড়েন এবং অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

জানাজার আগে উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছাত্রদলের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবন, সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল।

বিএনপি মহাসচিব এ সময় ঘোষণা দেন, নূরে আলমের হত্যার প্রতিবাদে আগামী ৬, ৭ ও ৮ আগস্ট ছাত্রদল, কৃষকদল ও যুবদল ঢাকায় সমাবেশ করবে।

জানাজায় অংশ নেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাগপা সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, বিএনপি নেতা মো. শাহজাহান, আবদুস সালাম, আমান উল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আবদুস সালাম আজাদ, মীর সরাফত আলী সপু, কামরুজ্জামান রতন, তাইফুল ইসলাম টিপু, আমিনুল হক, রফিকুল আলম মজনু, আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী, যুবদলের সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের আবদুল কাদির ভূইয়া জুয়েল, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, শ্রমিক দলের মোস্তাফিজুল করিম মজুমদার, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, ড. মনিরুজ্জামান, মৎস্যজীবী দলের আবদুর রহিম প্রমুখ।

গত ৩১ জুলাই সারা দেশে লোডশেডিং ও বিদ্যুতের অব্যবস্থপনার প্রতিবাদে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভোলা জেলা বিএনপি বিক্ষোভ সমাবেশ করে। সেখানে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। পুলিশ গুলি ছুড়লে ওই দিন ঘটনাস্থলে সেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুর রহিম মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নূরে আলমকে ঢাকায় এনে কমফোর্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার (৩ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে তিনি সেখানে মারা যান।