🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন, ১৪২৯ ৷ ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ৷

মিরসরাইয়ে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষের ঘটনায় আরও ২ জনের মৃত্যু


❏ রবিবার, আগস্ট ৭, ২০২২ আলোচিত বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মিরসরাইয়ে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষের ঘটনায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

গত শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আয়াতুল ইসলাম আয়াতের (১৭) মৃত্যু হয়। শনিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে তাছমির হাসান (১৭) নামের আরও একজনের মৃত্যু হয়।

জানা গেছে, তাঁরা দুজনই এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। আয়াত হাটহাজারী উপজেলার আমান বাজার এলাকার যুগীর হাটের আবদুস শুক্কুরের ছেলে। আর তাছমির হাসান হাটহাজারী উপজেলার চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের খন্দকিয়া গ্রামের যুগিরহাট এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাব-রেজিস্ট্রার বাড়ির মৃত মোহাম্মদ পারভেজের ছেলে।

গতকাল শুক্রবার চমেক হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এস এম নোমান খালেদ চৌধুরী বলেন, ‘আহত আয়াত মাথায় ও ঘাড়ে আঘাত পান। চিকিৎসকেরা অনেক চেষ্টা করেছেন। সেই প্রথম দিন থেকে জ্ঞান ফেরেনি তার। সকাল থেকে তার অবস্থার আরও অবনতি হয়। দুপরের দিকে মারা যায়।’

শনিবার চিকনদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও স্থানীয় ইউপি মেম্বার তোফায়েল আহাম্মদ তাছমির হাসানের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। তাছমিরের মাথা ও ঘাড়ে আঘাত ছিল মারাত্মক। গত ৩০ জুলাই তাকে তাছমিরকে নিউরো সার্জারি বিভাগ থেকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। দুর্ঘটনার পর থেকেই তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। প্রায় ৮ দিন জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা তাছমির আজ শনিবার রাতে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

আহতদের মধ্যে মো. ইমন নামে একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন। আহত আরও চারজন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারা হলেন-মো. সৈকত, মো. মাহিম, মো. হৃদয় ও তৌহিদ ইবনে শাওন।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই দুপুরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া ঝরনা দেখে ফেরার পথে বড়তাকিয়া স্টেশন এলাকায় রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় মহানগর প্রভাতি ট্রেনের ধাক্কায় ১১ জন নিহত হয়। তারা হাটহাজারীর খন্দকিয়া গ্রামের যুগিরহাটের আর অ্যান্ড জে কোচিং সেন্টার থেকে খৈয়াছড়া ঝরনা দেখতে গিয়েছিল। এ ঘটনায় আহত হন সাতজন।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন