ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হবে টঙ্গী-জয়দেবপুর দ্বিতীয় রেল লাইন : রেলপথ মন্ত্রী


❏ মঙ্গলবার, আগস্ট ৯, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: : রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই চালু হবে টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত নির্মাণাধীন ডুয়েল গেজ ডাবল রেল লাইন।

আজ ঢাকা টঙ্গী সেকশনের তৃতীয় ও চতুর্থ ডুয়েল গেজ এবং টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শনের সময় জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ স্টেশন চালু সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ বন্ধ ছিল। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে ৪৭ হাজার ৬০০ জনের একটি জনবল কাঠামো অনুমোদিত হয়েছে এবং আমরা নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছি।

তিনি বলেন, গত ৬ আগস্ট সহকারী স্টেশন মাস্টারের পরীক্ষা নেয়া হয়েছে । দ্রুত সময়ের মধ্যে লোকবল নিয়োগ দিলে স্টেশনসমূহ চালু করা সম্ভব হবে।

লেভেল ক্রসিং গেটে দুর্ঘটনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ট্রেনকে নিরাপত্তা দেয়ার জন্যই লেভেল ক্রসিংয়ে লোক নিয়োগ দিয়ে থাকি, কিন্তু বিভিন্ন সংস্থা তারা তাদের মত করে রেললাইনের উপর রাস্তা তৈরি করছে। এক্ষেত্রে তাদেরকেই নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে হবে।

সম্প্রতি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ভাড়া বাড়ানো বিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রী বলেন, এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি তবে ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে প্রাথমিক চিন্তা করা হচ্ছে। কারণ বিভিন্ন পরিবহন সংস্থা যেভাবে ভাড়া বাড়িয়েছে আমাদেরকেও সে বাস্তবতা অনুযায়ী সমন্বয় সাধন করা দরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত তৃতীয় এবং চতুর্থ ডুয়েলগেজ এবং টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত সেকশনে ডুয়েলগেজ ডবল রেল লাইনটি ভারতীয় এলওসি-এর অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে। ঢাকা থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত মোট ৪২ কিলোমিটার এর মধ্যে টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার রেল লাইন এ বছর ডিসেম্বরের মধ্যেই চালু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। প্রকল্পের নির্মাণ মূল্য এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

আজ রেলপথ মন্ত্রী গ্যাংকার যোগে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত পুরো অংশ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি নির্মাণ কাজের অগ্রগতি সরেজমিনে দেখেন।

পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশে রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অবকাঠামো মো. কামরুল আহসান, প্রকল্প পরিচালক নাজনীন আরা কেয়াসহ বিভাগীয় পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।