🕓 সংবাদ শিরোনাম

মধুর সঙ্গে বিষ মিশিয়ে দুই সন্তানকে খাওয়ানোর পর আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের * অবৈধ কার্যকলাপের অভিযোগে গুলশানের স্পা সেন্টার থেকে ৯ জনকে গ্রেপ্তার * রোববার পর্যন্ত ইরানে হিজাববিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ৯২ * নিজের মেয়েকে হত্যা করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে যেভাবে নাটক সাজায় বাবা! * কান্নাকাটি করায় বিরক্ত হয়ে ৩৫ দিনের শিশু কন্যাকে পুকুরে ফেলে দেন মা ! * তৃতীয়বারের মতো প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন, দুজনকেই শ্রীঘরে নিলো পুলিশ * বন্দরে মিশুক চালক কায়েস’র লাশ উদ্ধারের ১২ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তার ৩ * মঙ্গলবার দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী * ইবির পরিবহন নিয়ে যত অভিযোগ * ফরিদপুরে আলোচিত দুই হাজার কোটি টাকা পাচার মামলায় ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে *

  • আজ সোমবার, ১৮ আশ্বিন, ১৪২৯ ৷ ৩ অক্টোবর, ২০২২ ৷

অফিস সহকারী পদে ঘুষ নিয়ে ভুয়া নিয়োগ: টাকা নেয়ার ভিডিও ভাইরাল

Rangpur news
❏ মঙ্গলবার, আগস্ট ৯, ২০২২ রংপুর

সাইফুল ইসলাম মুকুল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (রংপুর): ভূমি মন্ত্রণালয়ে অফিস সহকারীর চাকরি দেয়ার নাম করে ১৩ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে নিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব-উপসচিবদের স্বাক্ষর জাল করে দেয়া হয়েছে নিয়োগপত্র, জয়েনিং লেটার।সেই সঙ্গে ঢাকার কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি করে বলা হয়েছে তিন মাস পর পোস্টিং। কিন্তু ৩ মাস অতিবাহিত হবার পর বুঝতে পারেন প্রতারণার শিকার হয়েছেন তারা।

ঘটনাটি ঘটেছে রংপুর নগরীর দখিগঞ্জ এলাকায়। ওই এলাকার আব্দুল হান্নান ও তার স্ত্রী স্বপ্না বেগমের ছেলে সোহাগ মিয়াকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে কম্পিউটার অপারেটর কাম অফিস সহকারী হিসেবে চাকরির দেয়ার কথা বলে ১৩ লাখ টাকা নেন একই এলাকার প্রতারক আনোয়ার হোসেন।

এদিকে অফিস সহকারী পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে ঘুষ হিসেবে টাকা গুনে নেয়ার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর তোলপাড় শুরু হয়েছে পুরো রংপুরে।

ভুক্তভোগী সোহাগ মিয়া জানান, টাকা নেয়ার কিছু দিনের মধ্যে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের পরিচালক স্বাক্ষরিত একটি নিয়োগপত্র এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তাজুল ইসলাম মিয়ার স্বাক্ষর করা যোগদান পত্র দেন। পরে আমাকে ঢাকায় একটি কম্পিউটার ট্রেনিংসেন্টারে রেখে বলেন চাকুরীতে যোগদান হয়েছে। এখানে ট্রেনিং করতে হবে, তিন মাস ট্রেনিং শেষে পোস্টিং হবে।

প্রতারণার শিকার সোহাগ মিয়া আরও বলেন, ট্রেনিং কালীন আমাকে বেতন হিসেবে দুই মাসের ২২ হাজার টাকা দেন আনোয়ার। এবং সেই সঙ্গে বেতন বিল, ভ্রমণভাতাসহ সরকারি দপ্তরের বেশকিছু ফরম, ভাউচারও দেন তিনি। এরপর তিন মাস পাড় হয়ে যায়, পরে পোস্টিং না হওয়ায় জানতে পারি আমি প্রতারনার শিকার হয়েছি।

ভুক্তভোগী সোহাগের পিতা আব্দুল হান্নান বলেন, অনেক আশা নিয়ে সন্তানের চাকরির জন্য টাকা টা দিয়েছিলা। কিন্তু আনোয়ার প্রতারণা করেছেন। তিন মাস আমরা তা বুঝতে পারি।এখন টাকা ফেরৎ চাইলে বিভিন্ন ভাবে ভয় ভীতি দেখায় আমাদের। তাই আমরা থানায় অভিযোগও করেছি।

এদিকে অভিযুক্ত আনোয়ারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার ব্যবহৃত নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে থানায় ভুক্তভোগী পরিবারের করা অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুর কোতোয়ালি থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মোহেরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত চলছে। তবে ভুক্তভোগী পরিবার মামলা করতে আগ্রহী নয়, আবার তারা টাকা তুলতেও পারছে না। অভিযুক্তও কিছু টাকা তাদের ফেরৎ দিতে চাচ্ছে বলে শুনেছি। অর্থাৎ দুই ভাবে একটা মধ্যস্ততার মধ্যে আছে বিষয়টি।