🕓 সংবাদ শিরোনাম

আফ্রিকায় আইইডি বিস্ফোরণে ৩ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত * উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলি: কিশোরীর মৃত্যু * পাবনায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাককে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কা, নিহত ২ * হজে যাওয়ার ৬৫ বছরের বয়সসীমা থাকছে না: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী * মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ‘ভুল’ বক্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন: আ.লীগ নেতার ভুল স্বীকার * কণ্ঠশিল্পী আসিফের ছেলের বিয়ে সম্পন্ন * সকল ধর্মের মানুষ মিলেই বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী * পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি: আট কারণ ও পাঁচ সুপারিশ উল্লেখ করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা * রংপুরে পূজা দেখে ফেরার পথে গাড়িচাপায় ২ জনের মৃত্যু * মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ট্রলারডুবি: রোহিঙ্গাসহ ৩৪ জন উদ্ধার *

  • আজ মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন, ১৪২৯ ৷ ৪ অক্টোবর, ২০২২ ৷

দেশে মজুদ আছে ৩০ দিনের ডিজেল, ১৮ দিনের পেট্রল


❏ বুধবার, আগস্ট ১০, ২০২২ প্রধান খবর

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: দেশে বর্তমানে ৩০ দিনের ডিজেল, ১৮ থেকে ১৯ দিনের অকটেন, ১৮ দিনের পেট্রল ও ৩২ দিনের জেট ফুয়েল মজুদ আছে। আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিপিসির প্রধান কার্যালয়ে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দেশের জ্বালানি তেলের মজুদের তথ্য তুলে ধরেন বিপিসি চেয়ারম্যান।

বিপিসি চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ বলেন, আগস্টের প্রথম সপ্তাহে প্রতি লিটার ডিজেলে ১২০ টাকা খরচ হচ্ছে বিপিসির, এ ক্ষেত্রে লিটারপ্রতি ৬ টাকার মতো লোকসান দিতে হচ্ছে। তবে অকটেনে ২৫ টাকার মতো লাভ হচ্ছে।

এ বি এম আজাদ বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য তেলের দাম বাড়ানো হয়নি। ক্রুডের কারণে পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়ে। সুতরাং পেট্রল ও অকটেনের দাম কৌশলগত কারণে বাড়াতে হয়েছে।

জ্বালানি তেল বিক্রি করে বিপিসির লাভ-ক্ষতির ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বলেন, ১৯৯৯-২০০০ অর্থবছর থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছর পর্যন্ত জ্বালানি খাতে ক্রমাগত লোকসান গুণতে হয়, যার পরিমাণ প্রায় ৫৩ হাজার ৫ কোটি টাকার মতো। এ খাতে ভর্তুকির বিনিময়ে সরকার বিভিন্ন সময়ে ৪৪ হাজার ৮৭৭ কোটি টাকার মতো বিপিসিকে প্রদান করে। ওই সময়ে আরও প্রায় ৮ হাজার ১২৭ কোটি টাকা ঘাটতি ছিল, যা পরে বিপিসির মুনাফার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়।

এ বি এম আজাদ বলেন, ‘দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বিপিসি বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েছে। নতুন করে ১১টি প্রকল্প হাতে রয়েছে, যার খরচ প্রায় ৩৪ হাজার ২৬১ কোটি টাকার অধিক। ইআরএল ইউনিট-টু, যার প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ, যা বিপিসির নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করতে বিপিসির মুনাফার একটি অংশ এফডিআর করা হয়। আপনারা জানেন, বিপিসি তার অর্থ কোনো না কোনো ব্যাংকের হিসাবের বিপরীতে রাখতে হয়। প্রকল্পের যে অর্থগুলো, সেগুলো প্রকল্পের নামে এফডিআর খুলে রাখা হয়।