🕓 সংবাদ শিরোনাম

ইডেন ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করে তদন্তের নির্দেশ * ধর্ষণের ঘটনা আড়াল করতে কিশোরী হত্যা, এলাকাজুড়ে উত্তেজনা, আটক ২ * রাজধানীসহ ১০ বিভাগীয় শহরে গণসমাবেশ কর্মসূচির তারিখ ঘোষণা বিএনপির * একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধী খলিল সাভার থেকে গ্রেপ্তার * কন্যা দিবসে এক ঘণ্টার ব্যবধানে তিন সন্তানের জন্ম ,নাম পদ্মা-মেঘনা-যমুনা * পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা , পলাতক স্বামী * দালালদের নিয়ন্ত্রণে পাসপোর্ট অফিস, ‘বিশেষ সংকেত’ নিয়ে ভুক্তভোগীদের ক্ষোভ * মাঝপথে তরুণীকে বাইক থেকে নামিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে চালক আটক * কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে এসএসসি পরীক্ষার্থী * প্রধানমন্ত্রী শুধু দেশের দূরদর্শী নেতা নন, সারা বিশ্বেও নন্দিত নেতা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *

  • আজ বৃহস্পতিবার, ১৪ আশ্বিন, ১৪২৯ ৷ ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ৷

সরকারি ওষুধ বিক্রি করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড


❏ বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১১, ২০২২ প্রধান খবর

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: লাইসেন্স ছাড়া ওষুধ উৎপাদন, বিপণন এবং সরকারি ওষুধ বিক্রি করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা গুনতে হবে—এই বিধান রেখে ওষুধ আইন, ২০২২ মন্ত্রিসভায় খসড়া অনুমোদন পেয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের সভাকক্ষে এই খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ার ইসলাম এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘এটা অনেক বড় আইন। এটার অনেক বৈশিষ্ট্য অর্থাৎ মেনশন করা আছে, বিশাল।

এই আইনে ১০৩টি ধারা রয়েছে। ওষুধ প্রশাসন কীভাবে হবে, ওষুধ প্রশাসনের কার্যক্রম কী হবে, ওষুধ প্রশাসন মান কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে, এটার একটা এক্সিকিউটিভ বডি থাকবে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ওষুধ উৎপাদন, বিক্রয়, মজুদ, বিতরণ ইত্যাদির লাইসেন্স দেয়ার জন্য কীভাবে লাইসেন্স দেবে, ফি কী হবে, লাইসেন্স প্রাপ্তির যোগ্যতা কী থাকবে- এগুলো তারা ঠিক করবে।’

তিনি বলেন, ‘লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লাইসেন্স গ্রহীতার লাইসেন্স আবার যদি কেউ ভুল ক্রুটি করে বা অন্যায় কিছু করে কীভাবে তার লাইসেন্স স্থগিত করা যাবে সেটাও এই আইনে উল্লেখ আছে। কেউ যদি তার লাইসেন্সে প্রাপ্ত যে জিনিসগুলো উৎপাদন করার কথা তার বাইরে কিছু করে তাহলে সে ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে কী অ্যাকশন নেয়া যাবে সেগুলো মেনশন করে দেয়া আছে।

‘একটা অর্ডিন্যান্স হয়েছিল ১৯৮২ সালে ড্রাগ অর্ডিন্যান্স-১৯৮২ আর ১৯৪০ সালে একটা ড্রাগ অ্যাক্ট ছিল। ওই দুইটিকে এক করে এখন এটা আপগ্রেড করা হলো। আর ১৯৮৪ সালে একটা ওষুধ নীতিমালা- ওইটা একটা বড় গাইডলাইন হিসেবে কাজ করেছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের ওষুধ লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ছাড়াই যদি কিছু করে তাহলে তার বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যেতে পারবে। কোনো প্রতিষ্ঠান প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিক্রির জন্য মজুত প্রদর্শন করতে পারবে না।

‘সরকারি ওষুধ, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ওষুধ এগুলো কোনভাবেই যেন ট্রানজেকশনের মধ্যে না আসে। লাইসেন্স ব্যতীত কোনো ওষুধ আমদানি করা যাবে না। কোনো রকম ওষুধ কেউ আনতে পারবে না।’

আইনে থাকা শাস্তির বিধান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘প্রায় ২২টি ধারাতে, অবজারভেশন দেয়া হয়েছে যে এতগুলো ধারাতে শাস্তি না দিয়ে এটাকে গ্রুপ করে অল্প কয়েকটাতে আনা যায় কিনা। এই আইনে সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা।

‘লাইসেন্স ছাড়া কেউ যদি ওষুধ আমদানি করে তাহলে তার ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হবে। যদি রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কেউ উৎপাদন করে আমদানি, রপ্তানি, বিক্রয়, বিতরণ, মজুদ অথবা প্রদর্শন করে তাহলে তারও ১০ বছরের জেল এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা হবে।’

খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, ‘ভেজাল ওষুধ উৎপাদন, বিক্রয়, মজুদ করলে সেখানেও ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং ১০ বছরের জেল হবে। সরকারি ওষুধ চুরি করে যদি কেউ বিক্রি করে তাহলে তারও ১০ বছরের জেল এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা হবে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন