🕓 সংবাদ শিরোনাম

ইরানে দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৬ * ঢামেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের দুই বন্দীর মৃত্যু * ফেসবুকে ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার * টুর্নামেন্টের ‘ট্রফি ভাঙা’ সেই ইউএনও মেহরুবাকেকে বদলি * ধানমন্ডিতে রিকশা থেকে পড়ে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু * বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তি নিশ্চিতে নেপিদো’র সঙ্গে আলোচনা করবে চীন * ইংল্যান্ড-জার্মানির রুদ্ধশ্বাস ড্রয়ের দিনে ইটালির সহজ জয় * পঞ্চগড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় আরও ৬ মরদেহ উদ্ধার, মৃত বেড়ে ৫৬ * আটঘরিয়ায় আ’লীগ-বিএনপি একই স্থানে সমাবেশ ডাকায় ১৪৪ ধারা জারি * ইরানে হিজাব বিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ছাড়াল ৭৫ *

  • আজ মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন, ১৪২৯ ৷ ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ৷

ময়নাতদন্তে মেলেনি আঘাতের চিহ্ন, সেই শিক্ষিকার মৃত্যু শ্বাসরোধে


❏ সোমবার, আগস্ট ১৫, ২০২২ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর, নাটোর: নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার গুরুদাসপুর এম হক কলেজশিক্ষক খাইরুন নাহারের ময়নাতদন্ত শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

ওই শিক্ষকের বাবার বাড়ি খামার নাচকৈড় এলাকার আবু বকর সিদ্দিকী কওমী মাদ্রাসা মাঠে রোববার এশার নামাজে তাঁর জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে খামার নাচকৈড় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

তবে তার ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মেলেনি নির্যাতন কিংবা আঘাতের চিহ্ন। শ্বাসরোধেই তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন নাটোর সদর থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ।

তিনি বলেন, রোববার বিকেলে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়। ওই সময় মরদেহের গলায় একটি দাগ ছাড়া অন্য কোনো জখম বা আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরে নাটোর সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক সামিউল ইসলাম জানান, শিক্ষিকা খায়রুন নাহারের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, এটা আত্মহত্যা। শ্বাসরোধ হওয়ার কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে ভিসেরা রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

বিষয়টি নিয়ে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে ময়নাতদন্ত করা হয়।

এর আগে রোববার সকালে উপজেলার গুরুদাসপুর এম হক কলেজের সহকারী অধ্যাপক খাইরুন নাহারের মরদেহ শহরের বলারিপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। এরপর বাসা থেকেই তাঁর স্বামী কলেজছাত্র মামুন হোসেনকে আটক করে পুলিশ।

সহকারী অধ্যাপক খায়রুন নাহার গুরুদাসপুর উপজেলার চাঁচকৈড় পৌর এলাকার মো. খয়ের উদ্দিনের মেয়ে। তার স্বামী মামুন হোসেন একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে ও নাটোর নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

এর আগে এক ছেলের জননী খায়রুন নাহারের ডিভোর্স হয়েছিল আগের স্বামীর সঙ্গে। পরে ছয় মাসের প্রেমের পর গত বছরের ১২ ডিসেম্বর কাজী অফিসে গিয়ে মামুনকে বিয়ে করেন। বিয়ের ৬ মাস পর গত জুলাই মাসে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে বেশ আলোচনা-সমালোচনা হয়।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন