🕓 সংবাদ শিরোনাম

রোববার পর্যন্ত ইরানে হিজাববিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ৯২ * নিজের মেয়েকে হত্যা করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে যেভাবে নাটক সাজায় বাবা! * কান্নাকাটি করায় বিরক্ত হয়ে ৩৫ দিনের শিশু কন্যাকে পুকুরে ফেলে দেন মা ! * তৃতীয়বারের মতো প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন, দুজনকেই শ্রীঘরে নিলো পুলিশ * বন্দরে মিশুক চালক কায়েস’র লাশ উদ্ধারের ১২ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তার ৩ * মঙ্গলবার দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী * ইবির পরিবহন নিয়ে যত অভিযোগ * ফরিদপুরে আলোচিত দুই হাজার কোটি টাকা পাচার মামলায় ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে * এবার রাজশাহীতে চলন্ত বাসে ঢুকে গেলো বৈদ্যুতিক খুটি * চলতি সপ্তাহেই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম *

  • আজ সোমবার, ১৮ আশ্বিন, ১৪২৯ ৷ ৩ অক্টোবর, ২০২২ ৷

শ্যালিকা ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ‘ধর্ষক’ দুলাভাই গ্রেপ্তার


❏ বুধবার, আগস্ট ১৭, ২০২২ ঢাকা, দেশের খবর

মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ১২ বছরের শ্যালিকা সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় ‘ধর্ষক’ দুলাভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা দায়েরের পর বুধবার (১৭ আগস্ট) দিবাগতে রাতে ওই শিশুর দুলাভাই অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার গরজানা গ্রামের মো. শামছুল হকের ছেলে মো. সবুজ সিকদার (২২)।

মামলা ও ভুক্তভোগীর পরিবার সুত্রে জানা যায়, দেড় বছর আগে মির্জাপুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে বিয়ে করেন সবুজ সিকদার। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে শ্বশুড়বাড়ি বেড়াতে আসার পর সবুজকে বাড়িতে রেখে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে রিলিফের চাল আনতে যায় তার স্ত্রী। একই সময় তার শ্বশুরও কাজ করতে বাড়ির বাইরে যায়।

পরে বাড়িতে শ্যালিকাকে একা পেয়ে নানা ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে তার দুলাভাই। পরবর্তীতে দীর্ঘ সাত মাস একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করে তার দুলাভাই অভিযুক্ত সবুজ। মেয়ের শরীরে হঠাৎ অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে সাত মাসের অন্তসত্বা বলে পরিবারকে জানায়। পরে ভুক্তভোগীর পরিবার মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এই মামলার আয়ু এস.আই মাহফুজুর রহমান জানায়, অভিযুক্ত সবুজকে গ্রেপ্তারের পর বুধবার টাঙ্গাইল আদালতে হাজির করা হলে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পরে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন আদালতের বিচারক। ধর্ষণ ও অন্তসত্বার বিষয়টি নিশ্চিতের জন্য ওই শিশুকে মেডিকেল টেস্ট করানো হয়েছে।