• আজ রবিবার, ১৭ আশ্বিন, ১৪২৯ ৷ ২ অক্টোবর, ২০২২ ৷

গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু লড়াই করেছেন : লিয়াকত হোসেন খোকা

Narayangonj news
❏ শনিবার, আগস্ট ২০, ২০২২ ঢাকা

সুমন আল হাসান,নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, ঢাকা বিভাগীয় অতিরিক্ত মহাসচিব ওনারায়ণগঞ্জ-৩(সোনারগাঁ) আসনের জাতীয় পার্টির দুইবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর কর্মময় সংগ্রামী জীবনে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় লড়াই করেছেন। ক্ষুধা ও দারিদ্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন আজীবন। দূর্ণীতি, দুঃশাসন আর জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে আপোষহীন লড়াই করতে গিয়ে অনেক ত্যাগ শিকার করেছেন।

শনিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে সোনারগাঁয়ে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় জাতীয় পার্টির উপজেলা যুব সংহতির উদ্যাগ্যে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

লিয়াকত হোসেন খোকা বলেন, আমাদের জাতীয় ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর অবদান অপরিসীম। তিনি ছিলেন জাতীয় ঐক্য, প্রেরণা ও স্বাধীনতার মূর্ত প্রতীক, বাঙালি জাতির স্বপ্নের রূপকার। তাঁর ইস্পাত কঠিন নেতৃত্ব বাঙালি জাতিকে দিয়েছে অধিকার আদায়ের প্রেরণা। তাঁরই নেতৃত্বে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে স্বাধীন হয়েছে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি।

তিনি বলেন, ৭৫’এ স্ব পরিবারে হত্যার পর মুক্তিযোদ্ধারা নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিতে ভয় পেতো। পল্লীবন্ধু এরশাদই রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে গেছেন। তিনিই প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের স্বাধীনতা ও উন্নয়ন জনগণের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়ার জন্য উপজেলা পদ্ধতি চালু করেছিলেন। ঘুমন্ত উন্নয়নকে জাগ্রত করেছিলেন।

জাপার এই নেতা আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশেষ কোনো দলের নেতা নয়, সমগ্র জাতির নেতা। কিন্তু কোন কোন দল বঙ্গবন্ধুকে নিজস্ব সম্পত্তি মনে করে ব্র্যাকেটবন্দী করার অপচেষ্টা করে। বঙ্গবন্ধুকে ব্র্যাকেটবন্দী করা হলে তা হবে পুরো বাঙ্গালী জাতির জন্য কলঙ্কজনক।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ইচ্ছা ও বাসনা ছিল। তাই সরকারে প্রতি উদ্বাত্ত আহবান- দ্রব্যমূল্য উর্ধগতি কমিয়ে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে হবে। আমরা এই দেশে হানাহানি মারামারি হত্যাযজ্ঞ চাইনা। আমরা এ দেশকে সুখী সমৃদ্ধিশালী একটি রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চাই।

অনুষ্ঠানে কাজী নাজমুল ইসলাম লিটুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আব নাইম ইকবাল। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়নগঞ্জ জেলা জাতীয় যুবসংহতির আহবায়ক বাবু রিপন ভাওয়াল।

অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নারায়নগঞ্জ জেলা জাতীয় যুব সংহতির সদস্য সচিব ও ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান বাবু ও জাবেদ রায়হান,মহানগর জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহম্মেদ ভুইয়া জয়,জেলা সদস্য মোঃ মোক্তার হোসেন,ওমর ফারুক টিটু, আলমগীর কবির মেম্বার, হারুন রশীদ মেম্বার, মামুন মেম্বার, মুজিবুর রহমান মেম্বার, মহানগর যুব সংহতির আহবায়ক মোঃ শরীফ হোসেন শাহ, মাঈনুল ইসলাম মামুন,মোঃ মোফাজ্জল হোসেন সুমন,মানিক মিয়া মেম্বার, আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম চেয়ারম্যান,এজাজ মিয়া মেম্বার, মোঃ সাকিল আহম্মেদ, ওহীদুজ্জামান ওহীদ,কবির মোল্লা, আশরাফুল হক,মোঃ আরিফুর রহমান, মোঃ সোহেল ভুইয়া,মোঃ সিকান্দার আলী মাষ্টার, রুহুল আমিন মেম্বার, আব্দুর রউফ সবুজ, সোহেল মুন্সি, আল আমিন, মোঃ রাশেদ,জাহাঙ্গীর আলম,মোঃ মতিউর রহমান, মোঃ রাকিবুল ইসলাম, মোঃ শাহ আলম, ইমরান হোসেন অপু, মোঃ সালমান মিয়া, আবু সুফিয়ান সোহাগ, শফিকুল ইসলাম রাজিব,মোঃ কাউসার, মোঃ সাইদুল হক,শাহালম মিয়া, আশরাফুল হক, সাইফুল ইসলাম, মনির হোসেন, আব্দুল লতিফ,মোঃ সুমন মিয়া, মিলন মিয়া, নাসির মেম্বার প্রমুখ ।

অনুষ্ঠানে কাজী নাজমুল ইসলাম লিটুকে জাতীয় যুব সংহতি সোনারগাঁও উপজেলার আহবায়ক ও সিকান্দার আলী মাষ্টার কে সদস্য সচিব হিসেবে মনোনিত করা হয়।