• আজ বুধবার, ২০ আশ্বিন, ১৪২৯ ৷ ৫ অক্টোবর, ২০২২ ৷

সিদ্ধান্ত নেবে দেশের জনগণ: প্রধানমন্ত্রী


❏ রবিবার, আগস্ট ২১, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলের পরিস্থিতি স্মরণ করিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা উন্নয়নের যুগে থাকবে নাকি সেই সন্ত্রাসের যুগে ফিরে যাবে।

রোববার গ্রেনেড হামলার ১৮তম বার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে তিনি একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে দলীয় কার্যালয়ের সামনে নির্মিত শহীদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন।

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে সরকারপ্রধান বলেন, এখন তাদের সঙ্গে বসতে হবে। তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তাদের খাতির করতে হবে। ইলেকশনে আনতে হবে। এত আহ্লাদ কেন আমি তো বুঝি না। বাংলাদেশে কী আর মানুষ নেই? অনেক বিদেশিদের কাছে গিয়ে কান্নাকাটি করে। সেখানে থেকে এসে রিকয়েস্ট করে কোন মতে তাদের একটু জায়গা দেওয়া যায় কী না? জায়গা দেবে কী দেবে না সেটা ভাববে জনগণ। সেই সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশের জনগণ। তারা আবার সেই সন্ত্রাসের যুগে ফেরত যবে? নাকি আজকে বাংলাদেশের উন্নয়ন হচ্ছে- সেই উন্নয়নের যুগে থাকবে। এই সিদ্ধান্ত তো জনগণকে নিতে হবে।

আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা তো জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। কেউ যদি ইলেকশন… ইলেকশন করবে কীভাবে। যে দলের নেতাই নেই। সাজাপ্রাপ্ত অথবা পলাতক। তারা ইলেকশন করবে কী আর কীভাবে ভোট পাবে। ভোট কাকে দেখে দেবে এটাই তো প্রশ্ন। তারপরও অনেক চক্রান্ত আছে। এখনো যেমন নানা রকমের চক্রান্ত। ইলেকশন সামনে এলেই শুরু হয়। কিন্তু এদেশের মানুষের ওপর আমার আস্থা আছে। বিশ্বাস আছে।

ভয়াল ২১ আগস্টের সেই গ্রেনেড হামলার ঘটনায় স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করতেই বিএনপি-জামায়াত তথা চার দলীয় জোট সরকার রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে নৃশংসতম এই গ্রেনেড হামলা চালায়। তারা গণতন্ত্রের কথা বলে, তাহলে এটা কিসের গণতন্ত্র? একটা প্রকাশ্য জনসভায় কীভাবে গ্রেনেড মারতে পারে?’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি বাবার পথ ধরেই এ দেশের মানুষের জন্য কাজ করছি। গ্রেনেড, বোমা, বুলেট দিয়ে বারবার হত্যাচেষ্টা হয়েছে। আল্লাহর রহমতে নেতাকর্মীরা আমাকে বাঁচিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ২১ আগস্ট নারকীয় হামলা ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে বিচার করা ছিল সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো হত্যাকারীদের রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়।