🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ রবিবার, ১৭ আশ্বিন, ১৪২৯ ৷ ২ অক্টোবর, ২০২২ ৷

এখন জেগে উঠছি, বিকল্প নেই: মির্জা ফখরুল


❏ মঙ্গলবার, আগস্ট ২৩, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: ‘দমন-পীড়নে বিএনপিকে দমানো যাবে না’ বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, আমরা তারেক রহমান সাহেবের নির্দেশে এখন জেগে উঠছি। জেগে উঠতে হবে- বিকল্প নেই আমাদের কাছে। এই জেগে উঠার মধ্য দিয়ে, সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা এই দানবকে উপড়ে ফেলে জনগণের একটা সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) সকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গতকাল (সোমবার) থেকে আমাদের আবার নতুন করে গ্রাম পর্যায়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে এবং সেটা হচ্ছে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে। গোটা দেশের মানুষ দেখছে যে, মানুষ কিভাবে রাস্তায় বেরিয়ে আসছে। প্রায় প্রতিটি থানা-উপজেলাতে কিন্তু বড় বড় মিছিল হয়েছে। এর মধ্যেও তারা কেউ থেমে নেই। গতকাল লক্ষ্মীপুরে শহিদ উদ্দিন চৌধুরীর বাড়িতে আক্রমণ করেছে, বরিশালের গৌরনদীতে বিএনপি-যুবদল-ছাত্রদলের নেতাদেরকে ঘর থেকে ধরে এনে মারধর করেছে, অত্যাচার-নির্যাতন করেছে।’

‘সমস্যাটা ওই জায়গায় শেখ হাসিনার, আওয়ামী লীগের। এত নির্যাতন, এত নিপীড়ন, এত হত্যা, এত গুম-খুনের পরেও বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাচ্ছে না। বিএনপি সেই ফিনিক্স পাখির মতো আবার ওই ধ্বংসাবশেষ থেকে জেগে উঠছে- এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় তাদের রাগের কারণ, ভয়ের কারণ।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশনেত্রীকে খালেদা জিয়াকে তারা (সরকার) বাইরে চিকিৎসা করতে দিতে চায় না। বিরোধিতা করে। কেন? যদি তিনি বেরিয়ে আসেন তাহলে তারা সামাল দিতে পারবে না। তারেক রহমান সাহেব যদি দেশে আসেন তাহলে এখানে লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে আসবে- এই ভয়েই তারা সেটা করতে চায় না।’

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র চায় এমন মানুষ দেশে এখন কেউ নিরাপদ নয়। খালেদা জিয়া এই মুহূর্তে কারাগারে অন্তরীণ না হলেও গৃহ অন্তরীণ রয়েছেন। গতকালও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে যেতে হয়েছে। ডাক্তার চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেয়ার কথা বললেও সরকার অনুমতি দিচ্ছে না।

নির্যাতনের শিকার পরিবারের উদ্দেশে ফখরুল বলেন, এই কথা আমরা দিতে পারি যে, আমরা যদি এই সরকারকে পরিবর্তন করে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারি, একটা সত্যিকারের জনগণের পার্লামেন্ট আনতে পারি, তাহলে আমাদের এই গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের সকলের পুনর্বাসনের জন্য সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা আমাদের সীমিত সাধ্যের মধ্য দিয়ে চেষ্টা করেছি আপনাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। আমরা দলের পক্ষ থেকে বলতে চাই, আমরা নুরে আলম ও আব্দুর রহিমের পরিবারের জন্য ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি তারা যেন বাকি জীবনটা চালাতে পারে তারজন্য সব রকম ব্যবস্থা আমরা করব।

মির্জা ফখরুল বলেন, এরা বড়াই করছে- সিঙ্গাপুর বানিয়ে দিয়েছে, মালয়েশিয়া বানিয়ে দিয়েছে। ওই দিকে শতকরা ৪২ জন মানুষের জীবন দারিদ্রসীমার নিচে চলে গেছে, দুই বেলা খেতে পায় না।