• আজ বুধবার, ১৩ আশ্বিন, ১৪২৯ ৷ ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ৷

একদিন পর এনামুল বাছিরের জামিনাদেশ প্রত্যাহার


❏ বুধবার, আগস্ট ২৪, ২০২২ Uncategorized

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: ঘুষ গ্রহণের মামলায় আট বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে দেওয়া জামিনাদেশ প্রত্যাহার করেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) একই হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে জামিন দিয়েছিলেন। কিন্তু আপিলের নথিতে জামিন আবেদন না থাকায় একদিন পর জামিনাদেশ প্রত্যাহার করেন হাইকোর্ট।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। এনামুল বাছিরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরৗ।

পরে খুরশীদ আলম খান বলেন, দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন এনামুল বাছির। ইতিপূর্বে ওই আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছিলেন হাইকোর্ট। সেই আপিলে জামিন চেয়ে শুনানি করেন তার আইনজীবী। আদালত গতকাল জামিন দিয়েছিলেন। কিন্তু নথিতে জামিন আবেদন দেওয়া হয়নি। তাই আজ আদালত জামিনাদেশ প্রত্যাহার করেছেন।

এনামুল বাছিরের আইনজীবী ফারুক আলমগীর বলেন, ‘ভুলবশত আপিলের সঙ্গে জামিনের নথি না থাকায় জামিন দিয়ে আদেশটি মহামান্য আদালত আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।’

এখন কী করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কয়েক দিন পর আবার বিষয়টি আদালতের নজরে আনব। তখন জামিনের বিষয়টি আদালত বিবেচনা করবেন।’

চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি খন্দকার এনামুল বাছিরকে আট বছর ও পুলিশের বরখাস্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম।

এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে জামিন আবেদন করেন এনামুল বাছির। অন্যদিকে তার সাজা বাড়াতে হাইকোর্টে আবেদন করে দুদক। দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুলও জারি করে।

২০১৯ সালের ২২ জুলাই দুদকের পরিচালক ফানাফিল্লাহর নেতৃত্বে কমিশনের একটি টিম মিরপুরের দারুস সালাম এলাকা থেকে এনামুল বাছিরকে গ্রেপ্তার করে। পরের দিন জামিনের আবেদন নাকচ করে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েস তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন, কমিশনের তথ্য পাচার ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে দুদক।

২০১৯ সালের ১৬ জুলাই ৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে পুলিশের বরখাস্ত ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরের নামে মামলা করে দুদক।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন