🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ বুধবার, ১৩ আশ্বিন, ১৪২৯ ৷ ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ৷

ইভিএমে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ইসির নিজস্ব: সিইসি

সিইসি
❏ বুধবার, আগস্ট ২৪, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের ‘চাওয়াকে’ গুরুত্ব দিতে নয়, সুষ্ঠুভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য আগামী সংসদ নির্বাচনে ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।

বুধবার নির্বাচন ভবনে নিজের কার্যালয়ে ইভিএমে নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন। আগের দিন কমিশন সভায় দেড়শ আসনে ইভিএমে ভোট করার সিদ্ধান্ত হয়।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘ইভিএমে যাওয়ার একটা বড় সিদ্ধান্ত আমাদের নিজেদের। ভোটটাকে হ্যান্ডেল করবে রাজনৈতিক দল নয়, ভোটকে হ্যান্ডেল করবে ইসি।’

তিনি জানান, ইসির এটা বড় দায়িত্ব নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। ভোট যেনো আরও স্বচ্ছন্দ, আরও সুষ্ঠু হতে পারে তা নিশ্চিত করবে ইসি।

তিনি বলেন, ‘ইভিএম নিয়ে যে কথাগুলো চালু আছে, সেগুলো ভোটের পরেও কিন্তু বোঝা যাবে। ইভিএমে নির্বাচন হলে যদি দেখা যায়, ফলাফলের ধরনটা দেখে বোঝা যাবে আসলে এ যন্ত্রের মাধ্যমে কোনো কারচুপি করা হয়েছে কি না।’

‘আমরা কমিশন কিন্তু পুরোপুরি আস্থাশীল হয়েছি, একেবারে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি আপাতত ১৫০টা সিটে, আসনে আমরা ইভিএম ব্যবহার করবো,’ বলেন তিনি।

সিইসি আরও বলেন, ‘যারা ভোট দিতে আসবেন সেটা আমাদের মুখ্য বিবেচনা। রাজনৈতিক দলগুলো কে কী বলেছে সেটা আমাদের মুখ্য বিবেচনায় আসেনি। কিন্তু বক্তব্যগুলো বিবেচনায় নিয়েছি। একই সঙ্গে লাখো কোটি ভোটারের ভোটাধিকার প্রয়োগে কেন্দ্রে আসেন তারা যেন আরও ভালোভাবে ভোট দিতে পারে। তা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

চলমান রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে ১৫০ আসনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে আরও বড় বিতর্ক তৈরি হলো কি না এবং ৩০০ আসনেই ব্যবহার করতে চাচ্ছেন না কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ৩০০ আসনে ইভিএম ব্যবহারে সামর্থ্যের একটা বিষয় আছে। ৩০০ আসেন যাচ্ছি না কারণ এতে আরেকটা সুযোগ হলো যে, ১৫০টিতে ইভিএম, ১৫০টি ব্যালট, এতে তুলনা করা যাবে। আমরা ভবিষ্যতে আরও বেশি নিশ্চিত হতে পারবো যে ইভিএম দিয়ে কী মন্দ হচ্ছে, না উত্তম হচ্ছে। সংকট ভবিষ্যতে কী হবে, আপনারা অপেক্ষা করেন, আমরাও অপেক্ষা করি। দেখি কী হয়। আমাদের সিদ্ধান্ত আমরা জানিয়েছি।

‘ভবিষ্যৎ আমরা বলতে পারি না। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও সংকট ছিল, ২০১৪ সালের নির্বাচন নিয়েও সংকট ছিল। এবার আদৌ নির্বাচন নিয়ে সংকট হবে কি না তা তো বলা যাবে না।’

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন