🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ শনিবার, ১৬ আশ্বিন, ১৪২৯ ৷ ১ অক্টোবর, ২০২২ ৷

মিয়ানমারের সাগাইংয়ে জান্তার হামলায় ১১ শিশু নিহত


❏ মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের তাবায়িন এলাকায় দেশটির সামরিক জান্তার হামলায় ১১ শিশু নিহত হয়েছে। খবর ইরাবতির

গত শুক্রবার তাবায়িনে জান্তার বিমান হামলা ও স্থল অভিযানে এ প্রাণহানি ঘটে। একে শিশু হত্যা বলে অভিহিত করেছে প্রতিরোধ বাহিনী। তবে জান্তা বলছে, তারা তাবায়িনে বিদ্রোহীদের হামলার জবাব দিয়েছে।

গত শুক্রবার তাবায়িনের লেত ইয়েত কোনে গ্রামের একটি সন্ন্যাসী স্কুলে দুটি এমআই-৩৫ হেলিকপ্টার দিয়ে হামলা চালায় জান্তা। হামলায় ঘটনাস্থলে সাত শিশু নিহত হয়। আহত হন ৩ শিক্ষক ও ১৪ শিশু। পরে জান্তার স্থলসেনারা গ্রামটিতে অভিযান চালান। এ অভিযানে আরও দুই শিশু নিহত হয়।

বিমান হামলায় নিহত সাত শিশুর লাশ নিয়ে যান জান্তা সেনা। এ ছাড়া আহত ব্যক্তিদের পার্শ্ববর্তী এলাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়।

জান্তার বিরুদ্ধে লড়াই করছে পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস (পিডিএফ)। পিডিএফের নেতা বো কিয়ার গি বলেন, ‘তারা (জান্তা) যদি আমাদের কাউকে মারত, তাহলে তা মেনে নিতাম। কারণ, আমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছি। কিন্তু তারা স্কুলের শিশুদের হত্যা করেছে। এটি অগ্রহণযোগ্য।’

এদিকে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলের ভেতরে রক্তের দাগ ও বইপত্র, স্কুলব্যাগ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা গেছে।

এক বিবৃতিতে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী বলেছে, বিদ্রোহী গোষ্ঠী কাচিন ইন্ডিপেনডেন্স আর্মি (কেআইএ) ও পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের (পিডিএফ) সদস্যরা ওই ভবনটিতে লুকিয়ে ছিল। অস্ত্র পরিবহনের জন্য গ্রামটি ব্যবহার করতো তারা।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থলে হেলিকপ্টারে করে ‘আচমকা পরিদর্শন’-এ গিয়েছিল নিরাপত্তা বাহিনী। সেখানে তারা পিডিএফ এবং কেআইএ’র আক্রমণের মুখে পড়ে।

মিয়ানমার সেনাদের দাবি, নিরাপত্তা বাহিনী প্রতিক্রিয়া জানাতে গুলি ছোড়ে। এই সংঘর্ষে কিছু গ্রামবাসী নিহত হয়েছেন এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে গ্রামবাসীদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ আনা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে ১৬টি হাতে তৈরি বোমাসহ অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।