• আজ শনিবার, ১৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৩ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

‘এ অর্জন দেশের জন্য, মানুষের জন্য’ : তাকরিমের মা


❏ শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২ ইসলাম, ঢাকা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: ৪২ তম বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা গ্রামের ছেলে হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম (১৩)।

এ অর্জনে সারা দেশের মানুষের অভিনন্দনের জোয়ারে ভাসছে তাকরিম। এ সাফল্যে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা গ্রামেও বইছে খুশির জোয়ার। গ্রামের সন্তান তাকরিমের সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ। তাঁরা বলছেন, তাকরিম শুধু ভাদ্রা গ্রাম বা নাগরপুর উপজেলা নয়, পুরো জেলাকেই সম্মানিত করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তাকরিমের সাফল্যের খবর গ্রামে পৌঁছানোর পর তাদের বাড়িতে গিয়ে অনেকেই তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।

ছেলের এমন অর্জনে খুশি তাকরিমের মা ফাতিমা বেগমও।

গত বুধবার রাতে মক্কার হারাম শরিফে প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তাকরিমের হাতে ১ লাখ রিয়াল ((প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা) পুরস্কার, সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন মক্কার গভর্নর খালেদ আল-ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ।

ছেলের এমন অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তাকরিমের মা ফাতিমা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে, এ জন্য আল্লাহ তাআলার দরবারে শুকরিয়া জানাই এবং যাঁরা তাকে এতদূর আসতে সাহায্য করেছেন, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। তাকরিমের এ অর্জন দেশের জন্য, মানুষের জন্য।’

তাকরিমের প্রতিবেশী নাগরপুরের ভাদ্রা গ্রামের তুনিরসহ আরও অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সে নাগরপুর উপজেলার ধুবড়িয়া ইউনিয়নের ধুবড়িয়া মাদ্রাসায় ১ মাস পড়াশোনা করার পর ঢাকায় চলে যায় এবং সেখানে পড়াশোনা শুরু করে। তুনির বলেন, ‘তার এ অর্জনে আমরা এলাকাবাসী আনন্দিত এবং গর্বিত।’

উল্লেখ্য, গত ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হয় বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শেষ হয় বুধবার। এ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১১১টি দেশ থেকে ১৫৩ জন অংশ নেন। চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ ১৫ প্রতিযোগীকে ২৭ লাখ রিয়াল পুরস্কার দেওয়া হয়। হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম ঢাকার মারকাজু ফয়জিল কোরআন আল ইসলামির শিক্ষার্থী। তার বাবা হাফেজ আবদুর রহমান মাদ্রাসার শিক্ষক।