• আজ সোমবার, ২০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৫ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

আওয়ামী লীগ রাজপথে নামলে অন্য কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না: তথ্যমন্ত্রী


❏ সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ রাজপথের দল। আমরা যদি আজকে আমাদের নেতাকর্মীদের সারাদেশে রাজপথে নামার জন্য ঘোষণা দেই তখন অন্য কাউকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিএনপি আওয়ামী লীগকে রাস্তায় পরীক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এ মন্তব্যের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ড. হাছান বলেন, আমরা রাজপথে মল্লযুদ্ধ করতে চাই না, আমরা আমাদের কর্মীদেরকে সংযত হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছি। আর বিএনপি তো রাজপথেই আছে এবং রাজপথে থাকতে গিয়ে তারা ২০১৩-১৪-১৫ সালে রাজপথের গাছপালা পর্যন্ত উপড়ে ফেলেছে, পুলিশ বক্স ভাঙচুর করেছে। আমরা চাই তারা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করুক, এতে সরকারের পুলিশ প্রশাসনসহ সবাই তাদেরকে সহযোগিতা করবে এবং করছে।

তিনি বলেন, কিন্তু বিএনপি আসলে চায় একটা সাংঘর্ষিক রাজনীতি। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে সংঘর্ষ করা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ করা, মানুষের সঙ্গে সংঘর্ষ করা। তারা চায় যাতে আরও প্রাণহানি ঘটে। আমি কিছু ভিডিও ক্লিপ দেখেছি, যদিও এখনো চূড়ান্ত হয়নি কিন্তু অনেকেই বলেছে মুন্সিগঞ্জে যে ছেলেটি মারা গেছে সে তাদেরই ইটের আঘাতে মারা গেছে।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি যখন সমাবেশ করতে গিয়ে নিজেরা নিজেরা মারামারি করে, নিজেরা সমাবেশ পণ্ড করে, যখন পুলিশের ওপর হামলা পরিচালনা করে, জনগণের সম্পত্তির ওপর হামলা পরিচালনা করে ভাঙচুর করে, অগ্নিসংযোগ করে, তখন জনগণ তাদের প্রতিহত অতীতেও করেছে, ভবিষ্যতেও করবে। আর জনগণের সঙ্গে যদি আমাদের নেতাকর্মীরা থাকে বিএনপির তারা আর পালাবার পথ খুঁজে পাবে না। তাদের এই ‘খালি কলসি বাজে বেশি’ ধরণের হুমকি-ধমকি আমরা প্রায় সাড়ে ১৩ বছর ধরে শুনে আসছি। দেশে শান্তি, স্থিতি রক্ষা সরকারের দায়িত্ব। সেটি বজায় রাখতে সরকার যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন সেটি অত্যন্ত সংযতভাবে সবসময় করে আসছে।

নির্বাচন উপলক্ষে রাজনীতি সরব হয়ে উঠছে এমন প্রসঙ্গে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অতীতের তুলনায় বেশি সরব হবে, এটিই স্বাভাবিক এবং এটি গণতান্ত্রিক রীতিনীতি চর্চারই অংশ। সুতরাং গণতান্ত্রিক রীতিনীতির চর্চা করে কেউ যদি আন্দোলন করে, সরকারের সমালোচনা করে, সরকারের বিরুদ্ধে বলে, তাতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। সেটি করতে গিয়ে যদি সাংঘর্ষিক রাজনীতি করে সেখানেই বিপত্তি।