• আজ সোমবার, ২০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৫ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

বাড়ির সীমানা বিরোধের জেরে প্রবাসীর উপর সন্ত্রাসী হামলা

Cox's Bazar news
❏ মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২ চট্টগ্রাম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কক্সবাজার: কক্সবাজার সদরের খরুলিয়ায় বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জের ধরে আব্দুর রহিম (৪২) নামের এক সৌদি প্রবাসীর উপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাড়ির সীমানায় নির্মাণাধীন বাউন্ডারী দেয়াল ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া ঘাটপাড়া গ্রামে গতকাল রবিবার এ ঘটনা ঘটে।

ঘাটপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, আহত প্রবাসীর পরিবারের আত্মীয় আবদুল লতিফ (২৮) ও আব্দুর রহমান (৩৫) এর সাথে বসতভিটা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তা নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। ওই দু’জনকে আসামী করে আহত প্রবাসীর স্ত্রী রোজিনা আক্তার বাদি হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন।

থানায় দায়েরকৃত এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে আহত রহিম সৌদিআরবে থাকেন। গত কয়েকমাস পূর্বে তিনি দেশে এসেছেন। বর্তমানে তাদের ভোগ দখলীয় এবং পৈত্রিক মালিকানাধীন বসত ভিটার সীমানায় বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ কাজ করতে গেলে আবদুল লতিফ ও আব্দুর রহমান তারা দুই ভাই অহেতুক কারণে দূর্লোভের বশবর্তী হয়ে নির্মাণ কাজে বাধা দেন এবং হুমতি-ধামকি দেন।

রবিবার বিকেলে আসামীরা একত্রিত হয়ে নির্মানাধীন বাড়ির দেয়াল ভেঙ্গে দখলে নিতে গেলে প্রবাসী আব্দুর রহিম বাধা দেয়। এতে তারা ক্ষীপ্ত হয়ে লোহার রড় এবং সাবল দিয়ে প্রবাসীকে আঘাত করে মারাত্মক জখম করে। আঘাতে আহত হয়ে আব্দুর রহিম জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে স্থানীয়রা আহত আব্দুর রহিমকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ কল করা হলে এএসআই জাহেদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

প্রবাসী আব্দুর রহিম বলেন, বাপ-দাদার রেখে যাওয়া জমিতে যে যতটুকু পাবে; ভাগ করে তার মধ্যে সবাই বসবাস করে আসছি। জমির মালিকানা দাবি করে গতকাল বিকেলে আবদুল লতিফ ও তার ভাই আব্দুর রহমান সীমানা নির্মাণের কাজ চলাকালে হঠাৎ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার উপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। হামলাকারীরা প্রথমে আমাকে বেদড়ক পিটিয়ে আহত করে নির্মানাধীন দেয়াল ভেঙ্গে তছনছ করে দেয়।

আহত প্রবাসীর স্ত্রী রোজিনা আক্তার বলেন, আমার স্বামী এবং দেবর প্রবাসে থাকেন। নানান অজুহাতে তারা দুই ভাই বিভিন্ন সময় বাড়িতে আমাদের একা পেয়ে প্রায় হুমকি-ধমকি ও গালমন্দ করতো। কোন প্রতিবাদ করতে গেলেই দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে প্রাণে মারতে তেড়ে আসে। তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি (তদন্ত) সেলিম উদ্দিন জানান, হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, দতন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।