• আজ শনিবার, ১৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৩ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচকে ১৪ ধাপ অগ্রগতি বাংলাদেশের


❏ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২ সাফল্যের বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক : বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচকে ১৪ ধাপ অগ্রগতি হয়েছে বাংলাদেশের। সম্প্রতি প্রকাশিত সূচকে দেখা গেছে, চলতি বছর ১৩২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০২তম।

আগের বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১১৬তম। জেনেভাভিত্তিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি অর্গানাইজেশন (ডব্লিউআইপিও) প্রতিবছর এই সূচক প্রকাশ করে থাকে।

ডব্লিউআইপিওর ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞান ও অর্থনৈতিক উদ্ভাবনকে বিবেচনায় নিয়ে এই সূচক তৈরি করা হয়। সূচক থেকে নলেজ ক্যাপিটাল, স্টার্টআপ ইকো সিস্টেম, বৈজ্ঞানিক বিভাগ, পারমাণবিক শক্তি, বায়োটেকনোলজি ও মহাকাশবিজ্ঞানের নতুন ধারণা উদ্ভাবনে কোন দেশ কতটা এগিয়ে আছে, তা জানা যায়।

চলতি বছরের বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচকে ৬৪ দশমিক ৬ স্কোর নিয়ে প্রথম অবস্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ড। দেশটি বিগত ১২ বছর ধরে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে। ৬১ দশমিক ৮ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ৬১ দশমিক ৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সুইডেন। এ বছরের সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ১৯ দশমিক ৭, যা গত বছর ছিল ২০ দশমিক ২। চলতি বছরে স্কোরের দিক থেকে অবনমন হলেও র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করেছে বাংলাদেশ।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ৪০তম, মালয়েশিয়া ৩৬তম, শ্রীলঙ্কা ৮৫তম, পাকিস্তান ৮৭তম, নেপাল ১১১তম এবং মিয়ানমার ১১৬তম অবস্থানে রয়েছে।

বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এ বছর র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করেছে, বিশেষ করে ক্রিয়েটিভ আউটপুট, ইনট্যাঞ্জিবল অ্যাসেট এবং অনলাইন সৃজনশীলতায়। সবচেয়ে ভালো করেছে করপোরেট ইনট্যাঞ্জিবল অ্যাসেট ইনটেনসিটিতে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ প্রাতিষ্ঠানিক পিলারে ১০৯তম, জনসম্পদ ও গবেষণা পিলারে ১২৭তম, অবকাঠামোগত পিলারে ৯৪তম, মার্কেট সফিস্টিকেশন পিলারে ৯২তম, বিজনেস সফিস্টিকেশন পিলারে ১২৫তম, জ্ঞান ও প্রযুক্তি পিলারে ৯৫তম এবং সৃজনশীল আউটপুট পিলারে ৮৭তম অবস্থানে রয়েছে।

বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচক প্রতিবেদনের মুখবন্ধে ডব্লিউআইপিওর মহাপরিচালক ড্যারেন ট্যাং বলেছেন, ‘এ বছর বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচকের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ‘উদ্ভাবননির্ভর উন্নয়নের ভবিষ্যৎ’। বর্তমানে আমরা এমন এক বিশ্বে বসবাস করছি, যেখানে উদ্ভাবনের অবস্থা বোঝা আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’