• আজ রবিবার, ১৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৪ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

সহ্যের বাঁধ যদি ভেঙে যায়, তার ফল ভাল হবে না: নানক


❏ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কন্ঠস্বর, ঢাকা: আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাড. জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, আমাদের সহ্যেরও সীমা রয়েছে। সেই সহ্যের বাঁধ যদি ভেঙে যায়, তার ফল ভাল হবে না।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর হাজারীবাগে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়ে আগারগাঁওয়ে পঙ্গু হাসপাতলে চিকিৎসাধীন দলীয় কর্মীদের খোঁজখবর নিতে যান আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাড. জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম। পরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন জাহাঙ্গীর কবির নানক৷

আহতদের দেখার পর জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম দলের পক্ষ থেকে তাদের চিকিৎসার সব ব্যয় বহন করা হবে বলেও আহতদের পরিবারের সদস্যদের আশ্বস্ত করেন। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এ সময় তারা আহতদের পরিবারের সদস্যদের নগদ ৫০ হাজার টাকা করে দেন।

নানক বলেন, আমরা চাই দেশে শান্তি-শৃংখলা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখার জন্য। দেশে শান্তি-শৃংখলা এবং জনগণের জানমাল নিরাপত্তার জন্য সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগও দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে দায়িত্ব পালন করবে।

তিনি বলেন, আহত শাহ আলমের অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। আইরিনের দুই হাত ভেঙে গেছে এবং আবদুল্লাহ এখন বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। তার শরীরে ১৮টি সেলাই লেগেছে এবং কিডনি ড্যামেজ হয়ে গেছে। তিনি এখন আইসিইউতে সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

এই অবস্থা বিএনপি-জামায়াত দেশব্যাপী চালাচ্ছে। শুধু আওয়ামী লীগকে লক্ষ্য করে নয়, তারা দেশের আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী, পুলিশ বাহিনীর ওপর অতর্কিত হামলা করছে। এরা ২০০৯ সাল থেকেই এই অবস্থা সৃষ্টি করছে। অগ্নি সন্ত্রাস করেছে, মানুষ হত্যা করেছে, রাজনীতির নামে এরা সন্ত্রাসী পথ বেছে নিয়েছে। সরকারি অফিস জ্বালিয়ে দিয়েছে। ট্রেন লাইন উপড়ে ফেলেছে।

তিনি বলেন, মানুষের জানমাল রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব৷ দেশে গণতন্ত্র রয়েছে, শেখ হাসিনার সরকার দেশের সব রাজনৈতিক দলকে মিছিল-মিটিং করার অধিকার দিয়েছেন।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বিএনপি সন্ত্রাসী ও সশস্ত্র কায়দায় মানুষের ওপর, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও দেশটিভির সাংবাদিকের ওপর নির্মমভাবে আঘাত করেছে। আমরা এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র ন্দিা ও প্রতিবাদ জানাই। শান্তিপূর্ণভাবে যদি কোনো রাজনৈতিক দল তাদের কর্মসূচি পালন করে, সে ক্ষেত্রে আমাদের বাধা দেওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই। আমাদের কোনো কর্মসূচি নেই। কিন্তু কেউ যদি সন্ত্রাসী কায়দায়, সশস্ত্র কায়দায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর আঘাত করে, সাংবাদিকদের ওপর আঘাত করে, দেশের সাধারণ মানুষের ওপর আঘাত করে সে ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ দরের নেতাকর্মীও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জনস্বার্থে, আইনশৃংখলা এবং স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসী, গুণ্ডাদের প্রতিহত করবে।