• আজ বৃহস্পতিবার, ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ১ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

❏ অ্যাম্বুল্যান্সে উঠিয়ে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক চালক


❏ রবিবার, অক্টোবর ২, ২০২২ চট্টগ্রাম, দেশের খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে জীবন মিয়া (৩২) নামের এক অ্যাম্বুল্যান্সচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অ্যাম্বুল্যান্স করে উঠিয়ে নিয়ে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয় বলে থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কিশোরী (১৪) তার নানির সঙ্গে সরাইল উপজেলায় বসবাস করে। বর্তমানে সে পশ্চিম মেড্ডার এক বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় পশ্চিম মেড্ডার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় অ্যাম্বুল্যান্স নিয়ে এসে তাতে কিশোরীকে উঠিয়ে নেয় চালক জীবন।

সেখান থেকে পৌর এলাকার পশ্চিম পাইকপাড়ায় এনে তাকে ধর্ষণ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বিষয়টি পুলিশকে জানালে স্থানীয়দের সহায়তায় জীবনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমরানুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই থানায় মামলা দায়ের করেন কিশোরীর নানি। স্থানীয়দের সহায়তায় গ্রেপ্তার হওয়া জীবনকে শনিবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

রাতভর ফ্ল্যাটে আটকে কিশোরী ও শিশুকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৫ অভিযুক্ত

❏ রবিবার, অক্টোবর ২, ২০২২ ☵ ঢাকা, দেশের খবর
সাভার প্রতিনিধি : সাভারের আশুলিয়ায় একটি ফ্ল্যাটে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক কিশোরী (১৬) ও ১২ বছরের এক শিশু। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আজ রোববার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজনকে আশুলিয়া থানা থেকে প্রিজন ভ্যানে আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে ভোরে তাঁদের আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মাদারীপুরের কালকিনি থানার আলীপুর গ্রামের এনামুল হকের ছেলে রেজাউল করিম ইমন (২১), শেরপুর জেলার সদর থানার বাকের কান্দা গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে নাঈম (২০), একই গ্রামের একাব্বর আলীর ছেলে আবু বক্কর ছিদ্দিক, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্চারামপুর থানার আকানগর গ্রামের আজমল খানের ছেলে আশরাফুল (২০) ও একই গ্রামের হেলাল মিয়ার ছেলে নুর হোসেন (২০)। তারা সবাই বর্তমানে আশুলিয়া ডেন্ডাবরে বিভিন্ন বাসায় ভাড়া থাকেন।

মামলা এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার প্রতিবেশী ১২ বছরের আরেক শিশুকে নিয়ে দোকানে যায়। এ সময় অভিযুক্ত নাঈম কৌশলে তরুণীসহ ও শিশুকে পূর্ব ডেন্ডাবরে তাজুল ইসলামের মালিকানাধীন বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরে নাইম আরও চারজনকে খবর দিয়ে সেখানে নিয়ে যান।

এরপর কিশোরী ও শিশুকে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে শনিবার ভোর রাত পর্যন্ত আটকে রাখেন। এর মধ্যে রেজাউল একটি কক্ষে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। অপর আরেকটি কক্ষে নাইম ও আশরাফুল তরুণীকে ধর্ষণ করেন। পরে তাদের ছেড়ে দেন। পরিবার বিষয়টি জানতে পুলিশে খবর দেয়।

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজু মন্ডল বলেন, খবর পেয়ে ভোরে ডেন্ডাবরে অভিযান চালিয়ে তাঁদের পাঁচজনকে আটক করেছি। পরে দুই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) আব্দুর রাশিদ বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আলাদা দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিশোরীর ঘটনায় গণধর্ষণ ও শিশু মেয়ের ঘটনায় ধর্ষণের মামলা হয়েছে। দুই মামলায় গ্রেপ্তার ৫ জন আসামী। ভুক্তভোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।