• আজ বুধবার, ২২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৭ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং’র আঘাতে বিদ্যুৎহীন পটুয়াখালী, বিঘ্নিত মোবাইল সেবাও


❏ মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৫, ২০২২ দেশের খবর, বরিশাল

জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে প্রভাবে সোমবার মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত ২৪ ঘন্টার টানা মাঝারী থেকে ভারি বৃষ্টিতে ক্ষতির মুখে পড়েছে পটুয়াখালীর আমন এবং সবজির ক্ষেত। দ্রুত এসব আবাদি জমির পানি নিস্কাশন না হলে বড় ধরণের ক্ষতির মুখে পড়বে জেলার কৃষি।

জানা যায়, সিডরে বিধ্বস্ত বেরিবাঁধ দিয়ে ৩-৪ ফুট উচ্চতার অস্বাভাবিক জোয়ের পানি প্রবেশ করে প্লাবিত হয়েছে কলাপাড়ার লালুয়া ও চম্পাপুর এবং রাঙ্গাবালী চরমোন্তাজ ইউনিয়নসহ বাউফল ও দশমিনার অর্ধশতাধিক গ্রাম। ভেসে গেছে প্রায় দু’শতাধিক পুকুর-ঘেরের মাছ। ঝুঁকির মুখে পড়েছে সদ্য র্নিমিত মহিপুরের নিজামপুরের বেবিবাঁধ। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে অর্ধশতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি। ভেঙ্গে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। রাতের জোয়ারে কুয়াকাটা সৈকতের কয়েকটি ভাসমান দোকান ভেসে যাওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতার।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থদের পুর্নবাসসহ সহায়তা দেয়া হবে।

এদিকে সোমবার মধ্যরাত থেকে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে পল্লীবিদ্যুতের আওতাধীন জেলার ৮টি উপজেলা। এর ফলে দুটি দিন (সোমবার মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে নয়টা পর্যন্ত) বিদ্যুৎহীন ও রাতে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে থাকে পুরো জেলার শহর তেকে গ্রামীন জনপদ। বন্ধ হয়ে যায় পানি সরবরাহ। সব কয়টি কোম্পানীর মোবাইল সার্ভিসে দেখা দেয় চরম সমস্যা। অনেক এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়েছে মোবাইল সার্ভিস থেকে।

পটুয়াখালী পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কলাপাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে প্রবল বৃষ্টি ও দমকা বাতাসের কারণে ৩৩ ও ১১ কেভি লাইনের বিভিন্ন অংশে গাছ ভেঙে পড়েছে। এ কারণে বিদ্যুৎ সরবারহ বন্ধ হয়েছে। বৃষ্টি ও ঝড় উপেক্ষা করে আমাদের দক্ষ টেকনিশিয়ানরা লাইন চালুর জন্য কাজ করেছেন।