🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ শুক্রবার, ২৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৯ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

প্রবল বৃষ্টিতে রাজধানীর বাসাবাড়িতে জলাবদ্ধতা, চরম ভোগান্তি


❏ মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৫, ২০২২ ঢাকা, দেশের খবর

রাজু আহমেদ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট: ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে রাজধানীতে গত ২৪ ঘন্টায় ২৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। ফলে মিরপুরসহ গোটা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে অসংখ্য মানুষ।

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে সরেজমিনে মিরপুরের কাজীপাড়া, শেওড়া পাড়া, কল্যাণপুর, গাবতলীর নিকটবর্তী মুনসুরাবাদ, গৈদারটেকসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টির পানিতে নিচু এলাকাগুলো তলিয়ে গেছে। রাজধানীর পানি নিষ্কাশনের ড্রেনগুলো সঠিকভাবে কাজ না করায় ময়লা পানি ঢুকে পড়েছে বসতবাড়ি-দোকানপাটে। বসতবাড়ি দোকানপাটে হাটু পর্যন্ত পানিতে ডুবে যাওয়ায় ফ্রিজ, খাটসহ মূল্যবান আসবাবপত্র রয়েছে পানির নিচে। অনেক বসতবাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে লাখো নগরবাসী।

গাবতলীর পার্শ্ববর্তী গৈদারটেকের গাছেরটেক এলাকার বাসিন্দা ডিএনসিসির ১০ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন বলেন, সারারাত বৃষ্টিপাতের পানি খালগুলো দিয়ে বের হতে না পারায় তা বসতবাড়িতে ঢুকে গেছে। আমরা যে বাড়িতে বসবাস করি সেই বাড়িসহ অসংখ্য বাড়ির ভেতরে ময়লা পানি প্রবেশ করে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি করেছে। রাতে পরিবারের লোকজন নিয়ে কোথায় ঘুমাবো সেই চিন্তাই করছি।

আবুল হোসেন নামে গৈদারটেকের অপর এক বাসিন্দা বলেন, আমি চায়ের দোকান করি। ময়লা পানি দোকানে হাটু সমপরিমাণে প্রবেশ করেছে। ফলে দোকানের চুলা, ফ্রিজ, আসবাবপত্র পানির ভেতরেই রয়েছে। কবে যে এই পানি নামবে আল্লাহই জানে। এতে করে বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হলাম। শীঘ্রই দোকানপাট ও বাসাবাড়িতে প্রবেশ করা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করলে অস্বাভাবিক নেতিবাচক পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে।

সাইফুল ইসলাম নামে গৈদারটেকের বাসিন্দা ও রিকসা-সিএনজির গ্যারেজের মালিক বলেন, কোমড় পরিমাণ পানি জমে যাওয়ায় চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে ডিএনসিসির ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবু তাহের বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ এর প্রভাবে রাজধানীতে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। আমার নিজের কয়েকটি বাড়িতেও প্রবেশ করেছে পানি। আপনারা তো জানেনই, ঢাকা শহরের সকল পানি কল্যানপুর খাল ব্যবহার করেই নিষ্কাশিত হয়। আর কল্যানপুর খালের বেশিরভাগ অংশ আমার ওয়ার্ডে পড়েছে বিধায় আমরাই বেশি ভোগান্তির শিকার হয়েছি। পানি নিষ্কাশনে সেচের ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে। আশা করছি দ্রুতসময়ের মধ্যেই এ সমস্যা নিরসনে সক্ষম হবো।