• আজ রবিবার, ১৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৪ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

ফুটবল বিশ্বকাপের পর ঢাকায় আসছেন কাতারের আমির


❏ বুধবার, অক্টোবর ২৬, ২০২২ প্রধান খবর

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে ফিফা বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টের পর কাতারের আমির শেখ তামিম ইবনে হামাদ আল থানি ঢাকা সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত কাতারের রাষ্ট্রদূত সেরায়া আলী মাহদি সাঈদ আল কাহতানি গতকাল মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা জানান।

এসময় পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে তাঁদের মতবিনিময় হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কাতারের রাষ্ট্রদূত বৈঠকের সময় কাতারের আমিরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ গ্রহণের চিঠিটি রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, কাতারের আমির বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে খুবই আগ্রহী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রতিরক্ষা, জনশক্তি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেছে কাতারের রাষ্ট্রদূত। তিনি গত মাসে দোহায় দ্বিতীয় ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) আয়োজন করার জন্য কাতারকে ধন্যবাদ জানান।

দ্বিতীয় এফওসি’র আলোচনার কথা উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, কাতারে ডাক্তার, নার্স, ইঞ্জিনিয়ার ও টেকনিশিয়ানসহ জনবল নিয়োগ, বাংলাদেশে এলএনজির সরবরাহের কোটা, খাদ্যশস্য ও কৃষিপণ্যের সরাসরি সরবরাহের মাধ্যমে কাতারের খাদ্য নিরাপত্তায় অবদান রাখতে বাংলাদেশের আগ্রহ, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ানো এবং বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাই-টেক পার্কে কাতারের বিনিয়োগ এবং রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

বৈঠকে কাতারের রাষ্ট্রদূত জানান, দ্বিতীয় এফওসি’র পর উভয় পক্ষই দুই দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের বিষয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

কাতারের সাথে তার পুরানো স্মৃতি স্মরণ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত দুই দশকে কাতারে ঘটে যাওয়া আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং একটি আধুনিক ও উন্নত দেশে রূপান্তরের ক্ষেত্রে কাতারের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারে বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক কর্মী নিয়োগের উদ্যোগের জন্য কাতারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের কর্মীরা দুই দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছেন।