• আজ বুধবার, ২২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৭ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

যুদ্ধ চাই না, আমরা শান্তির পক্ষে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


❏ বুধবার, অক্টোবর ২৬, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: বাংলাদেশ যুদ্ধ চায় না, শান্তির পক্ষে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন।

বুধবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত এক সেমিনার ও মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সবার আগে দেশের মধ্যে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, সম্প্রীতি জরুরি। আমরা এ নিয়ে কাজ করছি। স্থিতিশীলতা না থাকলে আর যুদ্ধ হলে আমরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবো। তাই আমরা যুদ্ধ নয়, শান্তির পক্ষে। মানুষের জন্য যুদ্ধ বন্ধ করারও দাবি করেন মন্ত্রী।

তৃতীয় বিশ্ব না হওয়ার পেছনে জাতিসংঘকে দায়ী করে ড. মোমেন বলেন, সম্প্রীতি জাতিসংঘের বাইরে গিয়ে অনেকে সিদ্ধান্ত‌ নিচ্ছে, নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে। ফলে বিপদে আছি। যাদের জন্য নিষেধাজ্ঞা তারা তেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না।

বাংলাদেশের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির প্রসঙ্গে মোমেন বলেন, আমরা তথ্য ও নথিগুলো এখনও পাঠাতে পারিনি। আরও আগে পাঠাতে পারলে স্বীকৃতি পেয়ে যেতাম। এটা নিয়ে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর নীতিতে বিশ্বাসী। সেভাবেই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব নেতাদের কাছে সন্ত্রাসীদের অর্থায়নকারী ও অস্ত্র দাতাদের চিহ্নিত করার কথা বলেছেন। কিন্তু সেটি করা হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ হলে অনেক সুবিধা হারানোর কথা রয়েছে। তবে আশার খবর হলো, ইউরোপীয় ইউনিয়ন আমাদের কাছে অঙ্গীকার করেছে যে ২০২৯ সাল পর্যন্ত তারা চলমান সুবিধাগুলো আমাদের দেবে। প্রযুক্তি বিষয়ে সুবিধা দেবে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত।

গুম নিয়ে যে তথ্য দেওয়া হয় তা সঠিক নয় দাবি করে মোমেন বলেন, ৬৮ জনের গুমের তথ্য আমরা জানি। এদের মধ্যে দুইজন আবার ভারতীয় নাগরিক। তাদের বাদ দিলে সংখ্যা ৬৬ জনে দাঁড়ায়। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ বন্দুকধারীদের গুলিতে এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিং-এর শিকার হয়। কিন্তু গত ৩ বছরে বাংলাদেশে এক্সট্রা জুডিসিয়াল কিলিং হয়েছে- তা আমার জানা নেই। যারা মারা গেছেন তারা অপরাধী।