• আজ রবিবার, ১২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ২৭ নভেম্বর, ২০২২ ৷

একদিনে ঘুরে আসুন সোনারগাঁ-পানাম নগরী

Narayangonj news
❏ শুক্রবার, অক্টোবর ২৮, ২০২২ ঢাকা

সুমন আল হাসান, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য অবলোকনের জন্য তারা ছুটে যেতে চান ঘরের বাইরে। তাদের জন্য রয়েছে অসাধারণ এক জায়গা ঢাকার খুব কাছাকাছি। অতি সহজে ও অনায়াসে আপনি বেড়াতে পারেন ঈশা খাঁর স্বপ্নের নগরী ‘সোনারগাঁয়ে’।

এখানে অনেক কিছু দেখার আছে; যা যে কাউকে আকর্ষণ করবে। শুধু ভ্রমণ নয়, এর সাথে সাথে আয়োজন করতে পারেন বনভোজনেরও। ভ্রমণ ও বনভোজন একসাথে দুটোই হয়ে গেল। চলে আসুন আজই। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য অবলোকন করুন।

অতীতে ঐতিহাসিক এক শহর ছিল পানাম নগরী। পৃথিবীর ১০০ ধ্বংসপ্রায় ঐতিহাসিক শহরের মধ্যে একটি হলো পানাম নগরী। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের ৪০০ বছরের পুরোনো নগরীর মঠবাড়িতে ভিড় করেন পর্যটকরা। ঢাকার খুব কাছেই ২৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অবস্থিত পানাম নগরী একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন শহরের নাম। সোনারগাঁয়ে ২০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে গড়ে ওঠে এই নগর। বড় নগর, খাস নগর, পানাম নগর- প্রাচীন সোনারগাঁয়ের এই তিন নগরের মধ্যে পানাম ছিলো সবচেয়ে আকর্ষণীয়। হারানো নগরী নামেও পরিচিত এই ঐতিহাসিক নগরী। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলার বার ভূঁইয়াদের ইতিহাস। পানাম নগরীতে আছে ৪০০ বছরের পুরোনো মঠবাড়ি, নীলকুঠি, পোদ্দার বাড়ি, কাশিনাথের বাড়ি, সোনারগাঁয়ের একমাত্র আর্টগ্যালারি আর নানা প্রাচীন ভবনসহ পঙ্খীরাজ খাল। ইতিহাস থেকে জানা যায়, ঈসা খাঁর আমলে বাংলার রাজধানী ছিল এই পানাম নগর। পানাম নগরী থেকেই তখন সোনারগাঁয়ের রাজকার্য পরিচালিত হতো। পানামের পূর্বে মেঘনা আর পশ্চিমে শীতলক্ষ্যা নদীপথে বিলেত থেকে আসতো বিলাতি থানকাপড় ও দেশ থেকে মসলিন কাপড় যেতো। বর্তমানে পানাম নগরের দু’ধারে ঔপনিবেশিক আমলের মোট ৫২টি স্থাপনা রয়েছে। এর উত্তরদিকে ৩১টি ও দক্ষিণদিকে ২১টি স্থাপনা অবস্থিত। স্থাপনাগুলোর স্থাপত্যে ইউরোপীয় শিল্পরীতির সঙ্গে মোঘল শিল্পরীতির মিশ্রণ দেখতে পাওয়া যায়। পানাম নগরীর নকশা নির্মাণ করা হয়েছে বেশ নিখুঁত আকারে। নগরীর প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই আছে কূপসহ আবাস উপযোগী নিদর্শন। পানি সরবরাহের জন্য দু’পাশে খাল ও পুকুর আছে।

আপনি সোনারগাঁয়ে এলে কোথায় যাবেন, কী কী দেখবেন একটু জেনে নিন।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর

সোনারগাঁয়ে বেড়াতে গেলে প্রথমেই আপনি যা দেখবেন তা হলো আবহমান গ্রামবাংলার লোক সংস্কৃতির ধারাকে পুনরুজ্জীবন, সংরক্ষণ ও বিপণনের জন্য গড়ে ওঠা বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন; যা সোনারগাঁ জাদুঘর নামে পরিচিত। আপনি বাসে কিংবা প্রাইভেটকারে সোনারগাঁয়ে এসে প্রথমে মোগড়াপাড়া চৌরাস্তা আসতে হবে। পরে যদি বাসে আসেন তাহলে রিকশায় চড়ে আপনাকে সোনারগাঁ জাদুঘরে আসতে হবে। এখানে এলে আপনার প্রথম নজর কাড়বে দাঁড়িয়ে থাকা প্রায় ১০০ বছরের প্রাচীন এক অট্টালিকা ভবন। এই ভবনটি পুরনো বড় সর্দার বাড়ি খ্যাত। বড় সর্দার বাড়িটি আরও আকর্ষণ করতে সংস্কার করেছে বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়াংওয়ান করপোরেশন। বড় সর্দার বাড়িটি জাদুঘরকে আকর্ষণ বাড়িয়ে তুলেছে। ভবনের বাহিরে দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রাচীন স্থাপত্য ভাস্কর্য দুটি ঘোড়া; যা সোনারগাঁ জাদুঘরের কথা বললেই এই দুই ঘোড়া দেখলেই সবাই অনায়াসে চিনতে পারে।

আপনি জাদুঘরে প্রবেশ করেই আরও দেখতে পাবেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের তৈরি গরুর গাড়ির ভার্স্কয, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ ভার্স্কয ও শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আবক্ষ ভার্স্কয; যা দেখেই আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। এখানে এলেই আপনি ঘুরে ঘুরে দেখতে পাবেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন স্মৃতি জাদুঘর ও বড় সর্দার বাড়ি ভবনের গ্যালারি। বড় সরদার বাড়ি গ্যালারি ও জয়নুল আবেদীন স্মৃতি জাদুঘরের গ্যালারিতে অনেক কিছু ঘুরে ঘুরে দেখতে পাবেন।

গ্যালারিগুলোতে কাঠ খোদাই, কারুশিল্প, পটচিত্র ও মুখোশ, আদিবাসী জীবনভিত্তিক নিদর্শন, গ্রামীণ লোক জীবনের পরিবেশ, তামা কাসা পিতলের নিদর্শনে লোকজ বাদ্যযন্ত্র ও পোড়ামাটির নিদর্শন, লোকজ অলংকারসহ অনেক কিছুই রয়েছে। জাদুঘরের অভ্যন্তরে আরও অনেক কিছুই আপনি ইচ্ছেমতো প্রাণ খুলে ঘুরে ঘুরে দেখতে পারেন। এখানে রয়েছে লাইব্রেরি, ডকুমেন্টেশন সেন্টার, ক্যান্টিন, সেমিনার হল, সোনারতরী মঞ্চ, গ্রামীণ উদ্যান, হরেক রকম বৃক্ষ, মনোরম লেক, লেকের মাঝে ঘুরে বেড়ানোর জন্য নৌবিহার, মৎস্য শিকারের ব্যবস্থা, স্থায়ী মনোরম প্রকৃতি অপরূপা সেতু, পঙ্খীরাজ নৌকা। এছাড়া আপনি আরো একটি আকর্ষণীয় এলাকা দেখতে পাবেন জাদুঘরের পশ্চিম প্রান্তে। বিশাল এলাকাজুড়ে তৈরি করা হয়েছে কারুশিল্প গ্রাম। এখানে বৈচিত্র্যময় লোকজ স্থাপত্য গঠনের তৈরি হয়েছে মানোরম ঘর। এ ঘরগুলোতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অজানা অচেনা অথচ দক্ষ কারুশিল্পীরা বাঁশ বেত, কাঠ খোদাই, মাটি, জামদানি, নকশিকাঁথা, পাট শিল্প, ঝিনুক,কামার, শঙ্খ শিল্প, রেশম শিল্প, একতারা ইত্যাদি উৎপাদন করছেন। এখানে কারূপণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা রয়েছে। আপনি পছন্দের কারূপণ্য কিনতে পারেন। ভ্রমণও হলো আর কেনাকাটাও সারা হলো।

এ সোনারগাঁ জাদুঘরে আসলেন আর জানলেন না জাদুঘরটি কবে প্রতিষ্ঠিত হলো। আর কে প্রতিষ্ঠিত করল। ১৯৭৫ সালের ১২ মার্চ শিল্পচার্য জয়নুল আবেদীন প্রতিষ্ঠা করেন লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (সোনারগাঁ জাদুঘর)। প্রথমে এটি ঐতিহাসিক পানাম নগরীর একটি পুরনো বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৮১ সালে ১৫০ বিঘা আয়তনের কমপ্লেক্সে এ দেশের সাধারণ মানুষের শৈল্পিক কর্মকাণ্ডের পরিচয়কে তুলে ধরতে শিল্পী জয়নুল আবেদীন এই জাদুঘর গড়ে তোলার প্রয়াস নেন। লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে বৃহস্পতিবার। অন্যান্য দিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। জাদুঘরে প্রধান গেইট প্রবেশ ফি (বাংলাদেশি)৫০ টাকা (বিদেশি)১০০ টাকা।

পানাম নগরী:

জাদুঘর থেকে বেরিয়ে ঠিক উত্তর দিকে গেলেই আপনি দেখতে পাবেন ঐতিহাসিক পানাম নগরী। এখানে রয়েছে হাজার বছরের প্রাচীন স্থাপত্যকলা ও শিল্পের অনুপম নিদর্শনে ভরপুর। রাস্তার দুইপাশে শত শত বছরের পুরনো অট্টালিকা দাঁড়িয়ে আছে। আপনি পানামে এলেই মন যেন অন্যরকম অনুভব হবে। পানামের অট্টালিকা আপনাকে স্বাগত জানাবে। পানামে এলেই আপনি দেখতে পাবেন পানামের চারদিকে পরিখা বেষ্টিত দুই দিকে ফটকসমৃদ্ধ ইমারতরাজী শোভিত নাচঘর, নহবতখানা, দরবার কক্ষ। পানামের এক পাশ দিয়ে বয়ে গেছে পঙ্খীরাজ খাল।

একটু উত্তর দিকে দেখতে পাবেন পঙ্খীরাজ সেতু (পানাম সেতু) ও নীলকুঠি। ঈশা খাঁর সময়কালে এই নগরী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল। সোনারগাঁয়ে রাজদণ্ড বা রাজকার্য পরিচালিত হতো এই পানাম নগরী থেকেই। এ নগরীই যে প্রাচীন বাংলার রাজা-বাদশাদের বাসস্থান ছিল তার প্রমাণ এই অঞ্চলের স্থাপত্য নিদর্শনগুলোর মধ্যেই পাওয়া যায়। আর এ কারণে পানাম গড়ে উঠেছিল বিশেষ বিশেষ বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে; যা বর্তমান প্রজন্মের কাছে ইতিহাসের স্বাক্ষর স্বরূপ।

এ নগরীতে আরও রয়েছে- খাজাঞ্চিখানা, ঠাকুর ঘর, গুপ্তপথ, মঠ, মন্দির, পুরানো লোক কারুশিল্প জাদুঘর ভবন,পোদ্দার বাড়ি, চারশ’ বছরের প্রাচীন টাকশাল বাড়ি, বিনোদন পিকনিক স্পট, টুরিস্ট হোম এবং প্রাচীন বিদ্যাপীঠ সোনারগাঁ জি আর ইনস্টিটিউশন। সম্প্রতি পানাম নগর প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর আধুনিক পর্যটন নগরীর জন্য কাজ করছে। সোনারগাঁয়ে ভ্রমণে এলে আপনি পানামে অনায়াসে ঘুরে যেতে পারেন। পানামের বাইপাস সড়কের পাশে রয়েছে মনোরম লেক। এ লেকে নৌকায় চড়ে খুব আনন্দে বেড়াতে পারবেন আপনি। জাদুঘর থেকে পানামে রিকশা ভাড়া নেবে ১০-১৫ টাকা।

আরো যা আছে:

আপনি সোনারগাঁয়ে একদিনে বেড়াতে এসে যদি সময় পান তাহলে সোনারগাঁয়ে আরও অনেক কিছু দেখার রয়েছে। লোক ও কারুশিল্প জাদুঘরের ২নং প্রবেশপথ থেকে বেরিয়ে পশ্চিম দিকে চলে গেলে দেখতে পাবেন প্রাচীন র্কীতি মুসলিম স্থাপত্য গোয়ালদী আলাউদ্দিন হোসেন শাহী মসজিদ। জাদুঘর থেকে সেখানে যেতে রিকশা ভাড়া নেবে ২০-৩০ টাকা। আর মোগড়াপাড়া চৌরাস্তা বাসস্ট্যান্ড থেকে ৪০-৫০ টাকা। মোগড়াপাড়া চৌরাস্তা গিয়ে একটু দক্ষিণ দিকে মোগড়াপাড়া বাজারের পশ্চিমে দেখতে পাবেন প্রাচীন সব ইমারতরাজি, বারো আউলিয়ার মাজার। হযরত শাহ ইব্রাহিম দানিশ মন্দ ও তার বংশধরদের মাজার, ইউসুফগঞ্জের মসজিদ, দমদমা গ্রামে দমদম দুর্গ, সুলতান গিয়াস উদ্দিন আযম শাহের সমাধি, পাঁচ পীরের মসজিদ ও মাজার। এসব প্রাচীন কীর্তি ও দর্শনীয় স্থান দেখতে হলে আপনি সোনারগাঁয়ে ভ্রমণে এলে সরাসরি প্রাইভেটকারে কিংবা রিকশাযোগে যেতে পারেন।

জাদুঘরে যাওয়ার পথে দিঘীরপাড় গ্রামের পূর্বে রয়েছে ঐতিহাসিক মসলিনপাড়ার গ্রাম খাসনগর। রয়েছে হিন্দু সম্প্রাদায়ের তীর্থভূমি বারদী লোকনাথ ব্রহ্মাচারী আশ্রম, এর পাশে একটু পূর্বদিকে রয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতিবসুর বাড়ি। ওই বাড়িতে রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতিবসু স্মৃতি জাদুঘর। সেখানে আপনি রিকশা কিংবা বেবি ও সিএনজিযোগে যেতে পারেন। আপনি সোনারগাঁয়ে যেখানে যান না কেন আপনি রিকশা বা সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোতে ঘোরাঘুরি করলে আপনাকে আগে থেকেই ভাড়া দরদাম করে নিলেই ভালো। এছাড়া আপনি সোনারগাঁয়ে বেড়াতে এসে দুপুরে খেতে হলে সোনারগাঁয়ে বিভিন্ন স্পটে অনেক হোটেল রয়েছে। হোটেলে খাবার খেতে হলে আগেই দরদাম জেনে নেওয়াই ভালো।

যেভাবে যাবেন:

ঢাকা থেকে ২৭ কিলোমিটার পূর্বে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে মোগড়াপাড়া চৌরাস্তা হয়ে উত্তরদিকে পর্যটন নগরী সোনারগাঁয়ের অবস্থান। ঢাকা থেকে বাসে কিংবা প্রাইভেটকারে সোনারগাঁয়ে যাওয়া যাবে। সময় লাগবে বাসে এক থেকে দেড় ঘণ্টা এবং প্রাইভেটকারে এক ঘণ্টা। ঢাকায় গুলিস্তান এসে হকি স্টেডিয়ামের পাশে বাস কাউন্টার রয়েছে। এখান থেকে ঢাকা-মেঘনা সড়কের দোয়েল সার্ভিস,স্বদেশ পরিবহন, বোরাক বাসে চড়ে মোগড়াপাড়া চৌরাস্তায় নামতে হবে। বাস ভাড়া ৬৫-৭০ টাকা। এছাড়া প্রাইভেটকারেও আপনি আসতে পারেন। যদি বাসে আসা হয় তাহলে চৌরাস্তা বাসস্ট্যান্ডে নেমে রিকমাযোগে উত্তর দিকে পর্যটক নগরী সোনারগাঁ লোক ও কারু শিল্প ফাউন্ডেশন (সোনারগাঁ জাদুঘরে) যেতে হবে। সেখানে রিকশা ভাড়া নেবে ২০-৩০ টাকা।

কোথায় থাকবেন:

ঢাকা থেকে সোনারগাঁয়ে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সাধারণত থাকার পরিকল্পনা থাকে না। ঢাকার খুব কাছাকাছি বলে একদিনে আপনি ঘোরাঘুরি শেষে আবার বাসায় ফিরে যেতে পারবেন। দূর থেকে যারা এখানে বেড়াতে আসেন তারা অনেক সময় থেকে যেতে চান। তাদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য হলো- এখানে একটি থ্রি স্টার মানের ‘সোনারগাঁ রয়েল রিসোর্ট’ নামে একটি রিসোর্ট রয়েছে। এটি লোকশিল্প জাদুঘরের পাশেই খাসনগর দিঘীরপাড় এলাকায় অবস্থিত। এখানে রাতযাপনের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে থাকতে হলে আগেই বুকিং দিতে হবে। এছাড়া বেসরকারি উদ্যোগে একটি রেস্ট হাউস রয়েছে এখানে। সেটি এমএ সাত্তার কেন্দ্রীয় গণবিদ্যালয় (বেইস)। এখানে অনেকগুলো মনোরম কক্ষ রয়েছে। জাদুঘর সংলগ্ন খাসনগর দিঘীরপাড় ইছাপাড়া গ্রামে এর অবস্থান। এছাড়া সরকারি অতিথিদের জন্য জাদুঘর ও উপজেলা প্রশাসনের নিজস্ব গেস্ট হাউস বাংলো রয়েছে।