🕓 সংবাদ শিরোনাম

মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে: ডিবি * হাজারীবাগে ঘরের ভিতর থেকে মা-সন্তানসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার * বাগদান করেও বিয়ে ভেঙে দিলেন নুসরাত ফারিয়া! * মাগুরায় মাদকবাহী পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় দুই র‌্যাব সদস্যসহ নিহত-৩ * মির্জা ফখরুলকে আটকের বিষয়ে যা বললেন তার স্ত্রী * মধ্যরাতে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে আটকের অভিযোগ * শেখ হাসিনার উন্নয়নের জোয়ারে মানুষ মঙ্গা ভুলে গেছেন : আসাদুজ্জামান নূর * ওয়ালটন নিয়ে এলো ভার্চুয়াল র‌্যামসহ ৮ জিবির স্মার্টফোন ‘প্রিমো আর টেন’ * সৌদিআরবের মরুভূমিতে মাছের আকৃতি পাথর আবিস্কার * ফরিদপুরে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি, যুবক গ্রেফতার *

  • আজ শুক্রবার, ২৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৯ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

‘চাকরিটাকে ইবাদত মনে করেছি, কোনো অন্যায় সুবিধা গ্রহণ করিনি’


❏ শনিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিদায়ী কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, চাকরিকে ইবাদত মনে করেছি। চাকরি জীবনে কোথাও থেকে কোনো অন্যায় সুবিধা গ্রহণ করিনি।

শনিবার (২৯ অক্টোবর) ‘কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২২’ উপলক্ষে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে উদ্দেশ্যে করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুরো চাকরি জীবনে আপনার যে আশীর্বাদ মাথার ওপরে ছিল তা কখনো ভুলবো না। চাকরিটাকে ইবাদত মনে করেছি, চাকরি জীবনে কোথাও থেকে কোনো অন্যায় সুবিধা গ্রহণ করিনি। একজন সরকারি কর্মকর্তাকে ভালোভাবে চলতে আপনি পেছন থেকে যে সাপোর্ট দিয়েছেন, সেজন্য আপনাকে আলদাভাবে স্যালুট ও শ্রদ্ধা।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আইজিপি হিসেবে যাকে বেছে নিয়েছেন, তিনি ভালো করবেন। এ আস্থা আমার রয়েছে। আমরা বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশকে কতিপয় দুর্বৃত্তের হাতে ছেড়ে দিতে পারি না। যতক্ষণ শ্বাস আছে, যতক্ষণ আশ আছে ততক্ষণ পুলিশ বাহিনী লড়াই করবে।

কমিউনিটি পুলিশিং বিষয়ে কমিশনার বলেন, আমি ডিএমপি কমিশনার হওয়ার ৫-৬ মাস যেতেই করোনা এসেছে। সে সময় বিধি-নিষেধের কারণে স্বাভাবিক সভা-সমাবেশ বন্ধ হয়ে যায়। সেজন্য আমি খুব বেশি কমিউনিটি পুলিশিংয়ের জন্য কাজ করতে পারিনি। তারপরেও আমি চেষ্টা করে গেছি এলাকার মানুষ নিয়ে কাজ করার জন্য।

তিনি বলেন, ইভটিজিং, নারী নির্যাতন, যৌতুক, মাদকের মতো সামাজিক সমস্যা রোধে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। আগে এসব সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে আলাদা আইন ছিল না। পর্যায়ক্রমে যখন অপরাধ বাড়তে থাকল, আইন হলো। পর্যায়ক্রমে আইন কঠোর থেকে কঠোর হলো। কিন্তু শুধু আইন করে কি অপরাধ নির্মূল সম্ভব হয়েছে? হয়ত কমেছে কিন্তু খুব বেশি লাভ হয়নি। এসব সামাজিক সমস্যা যদি সবাই মিলে প্রতিরোধ করি তাহলেই এ অপরাধ থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব।

বিদায়ী এ কমিশনার বলেন, প্রত্যেক মাদকসেবী টাকা জোগাড় করতে অপরাধে জড়ায়। একসময় মাদক ব্যবসায় জড়ায়। একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ধরলে শত শত ব্যবসায়ী তৈরি হচ্ছে। আজ যে মাদক গ্রহণ করছে সেই ভবিষ্যতের ব্যবসায়ী হবে। সামাজিকভাবে সবাই মিলে যদি এটা প্রতিরোধ করতে না পারি তাহলে শুধু জেল দিয়ে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়।

আমরা সমাজে বাস করি, আমরাই নির্ধারণ করব আমাদের সমাজ কেমন হবে। সবাই হাত মেলালে সমাজের গুটিকয়েক দুর্বৃত্ত পালানোর পথ খুঁজে পাবে না।