🕓 সংবাদ শিরোনাম

নীলফামারীতে ধর্ষণ মামলায় প্রধান শিক্ষক জেল হাজতে * দরিদ্র মানুষ না খেয়ে মরবে না: পরিকল্পনা মন্ত্রী * চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর উপহার, ২৯ প্রকল্প ও ৪ ভিত্তিপ্রস্তর * মিরাজের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের অবিশ্বাস্য জয় * ফুলবাড়ীতে গাঁজাসহ এক নারী গ্রেফতার * সৌদিতে পাচারকালে ২৪ লাখ ইয়াবা আটক * ভালুকা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে জামাল * দুই বছর আগে হস্তান্তর হওয়া মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ অযত্নে অবহেলায় পরিত্যক্ত প্রায় * ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে বাড়ছে চুরি-ছিনতাই, নিরব হাসপাতাল প্রশাসন * নীলফামারীতে ট্রাকের ধাক্কায় ও ট্রেনে কাটা পড়ে শিক্ষার্থীসহ নিহত ২ *

  • আজ রবিবার, ১৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৪ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

ভোরের পাতা সম্পাদক এরতেজা হাসানের রিমান্ড চায় পিবিআই


❏ বুধবার, নভেম্বর ২, ২০২২ প্রধান খবর

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের দুই দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া) আবু ইউসুফ জানিয়েছেন, এরতেজাকে ঢাকার আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাঁর দুই দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

জমি জালিয়াতির অভিযোগে এরতেজাকে গতকাল মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করে পিবিআই। তাঁকে রাজধানীর গুলশান-২ নম্বর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পিবিআই সদরদপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ বলেন, কাজী এরতেজা হাসানের বিরুদ্ধে জমি জালিয়াতি ও প্রতারণা সংক্রান্ত মামলা রয়েছে। আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের ভাই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে রাজধানীর খিলক্ষেত থানায় এ মামলা করেন। মামলায় এজাহারনামীয় তিন আসামি হলেন- আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ, রিয়াজুল আলম ও সেলিম মুন্সী।

তিনি বলেন, মামলার পরে এজাহারভুক্ত প্রথম আসামি আবু ইউসুফ ও দ্বিতীয় আসামি রিয়াজুলকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে কাজী এরতেজা হাসানের নাম উঠে আসে। ওই মামলার তদন্তে নেমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় ড. এরতেজাকে গুলশান-২-এর অফিস থেকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করে পিবিআিইয়ের একটি দল।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৩ সালে কাজী শামীম মেহেদি নামে একজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আশিয়ান গ্রুপের কাছে জমি কেনার জন্য যান নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু ইউসুফ। ওই বছরের ৩ অগাস্ট আশিয়ান গ্রুপের সঙ্গে ৫০ কোটি টাকায় পাঁচ বিঘা জমি কেনার জন্য চুক্তি করে নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি।

এরপর তারা নগদ ও চেকের মাধ্যমে ৩০ কোটি টাকা পরিশোধ করেন। বাকি টাকা ওই বছর পরিশোধের কথা থাকলেও তারা তা করেননি। পুরো টাকা পরিশোধ না করেই তারা জমিতে স্থাপনা নির্মাণকাজ শুরু করেন। ২০১৯ সালে আশিয়ান গ্রুপ পাওনা টাকা চাইতে গেলে নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি জানায়, ২০১৩ সালেই নজরুল ইসয়াম ভুঁইয়া তাদের জমি নিবন্ধন করে দিয়েছেন।

আশিয়ান গ্রুপের অভিযোগ, স্বাক্ষর জাল করে সম্পূর্ণ বেআইনি প্রক্রিয়ায় ওই সময় জমির রেজিস্ট্রি করে নেয় নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি।