• আজ বুধবার, ২২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৭ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

ঘূর্ণিঝড়ের রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় গ্রেফতার ৫


❏ বুধবার, নভেম্বর ২, ২০২২ ঢাকা, দেশের খবর

ছাইদুর রহমান নাঈম, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: ঘুর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের রাতে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতির লুন্ঠিত মালামালসহ ৪ ডাকাত ও জুয়েলারি ব্যবসায়ীকে গ্ৰেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় আরো ২ জন আসামি পলাতক রয়েছে।

বুধবার (২ নভেম্বর) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ বিপিএম (বার)।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন- কটিয়াদী উপজেলার পাইকসা গ্রামের মৃত ফয়েজ উদ্দিনের পুত্র রিয়াজ উদ্দিন (৫০) ও একই গ্রামের মোহাম্মদ আলী, একই উপজেলা সাটিয়াদী গ্রামের আব্দুল খালেকের পুত্র বাচ্চু (৪০), আঃ কাদিরের পুত্র সুলতান (২৮), পাকুন্দিয়া উপজেলার তালদশি গ্রামের হরিপদ সাহার পুত্র বাপন সাহা (৩৫)। বাপন সাহা জুয়েলারি ব্যবসায়ী। ডাকাতির লুন্ঠিত মালামাল কেনার অপরাধে জুয়েলারি ব্যবসায়ী বাপন সাহাকে গ্ৰেফতার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, ঘুর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের রাতে কটিয়াদী উপজেলার একটি বাড়িতে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। কটিয়াদী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার পরের দিনই এজাহারভূক্ত আসামী সাদ্দাম (২২) ও মাহফুজ (২০) কে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে ৩ জন, কটিয়াদী থেকে ১ জন, পাকুন্দিয়া থেকে ১ জনসহ মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সুপার আরো জানান, ডাকাতির পর বাদী ৪ জনের নাম উল্লেখ করে অপর একজনকে নাম উল্লেখ না করে মামলা দায়ের করেন। ওদের মধ্যে দুজনকে ডাকাতিকালে চিনতে পারে বাদী। পরে এই দুজনকে গ্ৰেফতার করা হলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাকিদেরকে গ্ৰেফতার করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোস্তাক সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) নূরে আলম, হোসেনপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার, কটিয়াদী থানার ওসি (তদন্ত) কাজী মাহফুজ হাসান সিদ্দিকী ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই দুলাল মিয়া প্রমুখ।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বর্ণনা অনুযায়ী আসামি বাপন সাহার দোকান থেকে এক জোড়া স্বর্ণের দুল, দুইটি স্বর্ণের বালা, একটি স্বর্ণের চেইন, তিনটি স্বর্ণের আংটি ও স্বর্ণ বিক্রির নগদ ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

ডাকাতির সাথে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদেরকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ।