• আজ রবিবার, ১২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ২৭ নভেম্বর, ২০২২ ৷

পটুয়াখালী জেলা বিএনপি অফিস, সদস্য সচিবের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুর

Patuakhali news
❏ বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৩, ২০২২ বরিশাল

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীতে জেলা বিএনপি কার্যালয় ও দলের সদস্য সচিবের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে সকল আসবাবপত্র, ৪টি মোটর সাইকেল ভাংচুর ও তছনছ করেছে সন্ত্রাসীরা। রাত সাড়ে সাতটায় মোটরসাইকেলে হেলমেট পরিহিত ২৫/৩০ জনের সন্ত্রাসী রামদা, লোহার রড, লাঠি হাতে এসে অফিসের দরজা ভেঙ্গে হামলা ও ভাংচুর চালিয়ে চলে যায়।

এর আগে শহরের স্বনির্ভর সড়কে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শ্নেহাংশু সরকার কুট্টির ব্যবসায়িক কর্যালয়েও হামলা চালানো হয়। এদিকে হামলার পুরো ঘটনাটি ফেইসবুকে লাইভ করেন বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতামকর্মীরা। ফলে হামলার এ পুরো ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। হামলার জন্য যুবলীগকে দ্বায়ী করা হলেও এবিষয়ে তাদের পক্ষ থেকে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনার পরপরই প্রতিবাদে রাস্তায় বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভ মিছিল শেষে জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা এ ঘটনার জন্য আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীদের দায়ী করে তারা বলেন, আগামী ৫ নভেম্বরে বরিশালের মহাসমাবেশ ব্যাহত করতে এ হামলা চালিয়েছে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন না করলে দাত ভাঙ্গা জাবাব দেয়ার হুঁশিয়ারী দেন তারা। সমাবেশের একপর্যায়ে পুলিশি ধাওয়ায় নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ ঘটনায় শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার সন্ধ্যায় শহরের বনানী এলাকায় বিএনপি কার্যালয়ের এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় অফিসের মধ্যে থাকা চেয়ারসহ অনান্য সামগ্রী রাস্তায় নামিয়ে তা ভেঙ্গে ফেলা হয়। এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শ্নেহাংশু সরকার কুট্টি, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সদস্য মোস্তাক আহম্মেদ পিনু, জেলা বিএনপি সদস্য এড.মজিবুর রহমান টোটন, জেলা যুবদলের সভাপতি মনিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সিপলু খান, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গাজী আশফাকুর রহমান বিপ্লবসহ শতাধিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পটুয়াখালী জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব শ্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এড.মজিবুর রহমান টোটন বলেন, আগামী ৫ নভেম্বর বরিশালের মহাসমাবেশ বানচাল করতেই পরিকল্পিতভাবে জেলা যুবলীগের সভাপতির নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে অফিস ভাংচুড় করা হয়। এ সময় অফিসে থাকা ব্যানার এবং ফেস্টুন ছিড়ে ফেলা হয়।

পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান বলেন, কে বা কারা হামলা করেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হামলার সাথে যারাই জড়িত থাকুক না কেন এ বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।